বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী একটি স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত সরকারী শায়স্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা পরিচালনা বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হয়। বিদ্যুতায়ীত বা সোলারের মাধ্যমে গভীর নলকূপ এবং এলএলপি দ্বারা সেচ প্রদান করাই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কাজ। তবে এই মৌলিক কাজের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ভূ-পরিস্থ পানি সংরক্ষণের জন্য খাল ও পুকুর পুনঃখনন নদী থেকে পানি ছোট ছোট খাল বা দিঘীতে সরবরাহ এবং খাল ও ছোট নদীতে ক্রসড্যাম ও রাবার ড্যাম নির্মাণ করে থাকে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ যোগাযোগ উন্নয়নে রাস্তা নির্মাণ, পরিবেশের ভারসাম্য আনয়নে বনায়ন, মানসম্মত ফসল উৎপাদনে ভাল বীজ সরবরাহ, গভীর নলকূপ হতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, সেচের পানি বিতরণের জন্য ভূ-গর্ভস্থ নালা নির্মাণ, সেচে কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রি-পেইড কার্ড ইত্যাদি কৃষক ও পরিবেশবান্ধব কাজ করে থাকে। নিচে আমরা জানব বরেন্দ্র এলাকার বর্ণণা, প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে গঠিত হল, গঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী, বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যাক্রম ও অর্জন ইত্যাদি।
সূচীপত্রঃ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী
- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী গঠনের ইতিহাস
- বরেন্দ্র এলাকার ইতিহাস
- বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী এর অধিক্ষেত্র
- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রূপকল্প, অভিলক্ষ্য ও কার্যপরিধি
- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন কার্যক্রম
- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের অর্জন
- বিএমডিএ কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহ
- বিএমডিএ’র চলমান প্রকল্পসমূহ
- বিএমডিএ-এর বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে মোট উন্নয়ন কার্যক্রম
- বিএমডিএ পরিচালনা বোর্ড
- শেষকথা-বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী গঠনের ইতিহাস
আরও পড়ুনঃ বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাবার ড্যাম, রাজশাহী
বরেন্দ্র এলাকার ইতিহাস
বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী এর অধিক্ষেত্র
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী গঠনের সিদ্ধান্ত অনুসারে রাজশাহী বিভাগের (বর্তমানে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ) প্রথমত বন্যামুক্ত ও খরাপ্রবন উচু এলাকা বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের অর্ন্তগত। বর্তমানে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলায় বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়ন কার্যক্রমের অধীনে।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী এর রূপকল্প, অভিলক্ষ্য ও কার্যপরিধি
রূপকল্প (Vision)
বরেন্দ্র অঞ্চলকে আধুনিক, উৎপাদনশীল ও পরিবেশবান্ধব কৃষিভিত্তিক এলাকায় রূপান্তর করা।
অভিলক্ষ্য (Mission)
সেচ অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়ন, আবাদযোগ্য জমির পরিসর বৃদ্ধি, মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও বিপণন এবং ফলদ ও বনজ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
কর্তৃপক্ষের লক্ষ
বরেন্দ্র অঞ্চলকে দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত করা; মরুকরণ রোধে ব্যাপক বনায়ন ও জলাধার পুনঃখনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন; গ্রামীণ যোগাযোগ উন্নত করে কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন।
উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী
ভূ-পরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির উন্নত ব্যবহার নিশ্চিত করে সেচ সম্প্রসারণ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও শস্য বহুমুখীকরণে সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ, সীমিত আকারে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, সেচযন্ত্র স্থাপন ও নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারের অনুমোদিত অন্যান্য দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন কর4।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী এর উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন কার্যক্রম
ভূ-গর্ভস্থ পানিনির্ভর সেচ ব্যবস্থা চালুর ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে বছরজুড়ে চাষাবাদ সম্ভব হয়েছে এবং একফসলি জমি ধীরে ধীরে তিনফসলি জমিতে রূপ নিয়েছে। এই সেচ সুবিধার প্রভাব পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে ফসল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) পরিচালিত ১৫,৭৯০টি সেচযন্ত্র নিয়মিতভাবে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করছে। এর মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন নিশ্চিত হচ্ছে।
ভূ-পরিস্থ সেচ নালার পরিবর্তে ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণ
সেচ কাজে ভূ-পরিস্থ নালা ব্যবহারে অতিরিক্ত পানি অপচয় ও কৃষি জমি ক্ষতির সমস্যা দেখা দেওয়ায় ২০০০ সাল থেকে ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৪,৯০০ কিলোমিটার ভূ-গর্ভস্থ পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে সেচের পানির ব্যবহার প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে এবং প্রায় ১৩,০০০ বিঘা জমি নতুন করে চাষের আওতায় এসেছে। এই উন্নত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিবছর অতিরিক্ত প্রায় ২৩,০০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
সেচচার্জ আদায়ের জন্য প্রি-পেইড মিটার স্থাপন
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সেচসেবার বিপরীতে কৃষকদের নিকট থেকে নির্ধারিত ফি আদায় করে যা একসময় কুপন পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। জাল কুপন ও অর্থ আত্মসাতের ঝুঁকি থাকায় ২০০৫ সাল থেকে আধুনিক প্রি-পেইড মিটার ব্যবস্থা চালু করা হয়। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি গভীর নলকূপের পাম্পের সঙ্গে প্রি-পেইড মিটার সংযুক্ত থাকে এবং কৃষকদের ছবি ও ব্যবহার নম্বরসহ প্রি-পেইড কার্ড প্রদান করা হয়। কৃষকরা অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে কার্ডে প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ রিচার্জ করে সেচের পানি গ্রহণ করতে পারেন। এর ফলে সেচ ব্যয় ও পানির অপচয় কমেছে, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে এবং বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিএমডিএ এই প্রযুক্তিনির্ভর অর্থ আদায় ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে।
গভীর নলকূপের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ
বরেন্দ্র অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ পানীয় জলের তীব্র সংকট ছিল এবং অনেক এলাকায় হ্যান্ড টিউবওয়েল অকার্যকর হওয়ায় মানুষ পুকুর ও খাল বিলের পানির ওপর নির্ভর করত। এই সমস্যা সমাধানে গভীর নলকূপের সঙ্গে সংযুক্ত ২৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড ট্যাংক স্থাপন করা হয়। বিএমডিএ’র নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে নিয়মিত পানি পরীক্ষা করা হয় এবং প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে জনগণ পানি সংগ্রহ করে। এ ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত ১,২৫৭টি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে এবং প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ নিরাপদ পানীয় জল পেয়ে পানি বাহিত রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে।
ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর বৃদ্ধি, পানীয় জল এবং সীমিত আকারে সবজি চাষ এর জন্য পাতকুয়া নির্মাণ
বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র মৃত্তিকা এলাকা যেখানে বিশেষ করে ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অংশে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর অত্যন্ত দুর্বল এবং নলকূপের মাধ্যমে পানি উত্তোলন প্রায় অসম্ভব। এসব এলাকায় প্রশস্ত ও গভীর পাতকুয়া খনন করলে তাতে পানি জমে, যা খাবার পানি, গৃহস্থালি ব্যবহার ও স্বল্প সেচের ফসল চাষে কাজে লাগানো যায়। আদিবাসী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দুর্দশা বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সোলার পাম্প ও বিশেষ নকশার সোলার প্যানেল ব্যবহার করে পাতকুয়া থেকে পানি উত্তোলনের ব্যবস্থা চালু করে। সংগৃহীত পানি ট্যাংকে সংরক্ষণ করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল ও সেচ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, ফলে পরিবেশবান্ধবভাবে পানির সাশ্রয় নিশ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে বিএমডিএ কর্তৃক খননকৃত পাতকুয়া সোলার পাম্পে পরিচালিত হচ্ছে এবং উপকারভোগীরা আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, ডাল, সবজি ইত্যাদি স্বল্প সেচের ফসল চাষে লাভবান হচ্ছেন।
কৃষিপণ্য বাজারজাত করণে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ
কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করার লক্ষ্যে বিএমডিএ শুরু থেকেই প্রত্যন্ত এলাকায় পাকা সংযোগ সড়ক নির্মাণে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় দুর্গম অঞ্চলেও যোগাযোগের উন্নয়ন ঘটেছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ১,০৫৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে, যা কৃষি ও গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে।
সেচ কাজে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানোর জন্য ভূ-পরিস্থ পানি (Surface Water) ব্যবহার বৃদ্ধি
বরেন্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টিপাত দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং সময়মতো বৃষ্টিও আর হচ্ছে না। নদী, বিল ও জলাশয়ের সংস্কার না থাকায় পানি ধারণক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় কৃষিকাজ ক্রমেই ভূ-গর্ভস্থ পানিনির্ভর হয়ে পড়েছে, ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় বিএমডিএ ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহারে জোর দিয়েছে। কর্তপক্ষ ইতোমধ্যে পুকুর ও খাল পুনঃখনন করেছে। উঁচু-নিচু ভূমিতে পানি সংরক্ষণের জন্য ক্রসড্যাম নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি হার্ড বরেন্দ্র এলাকায় বড় জলাধার নির্মাণসহ পদ্মা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে খাল ও পুকুরে স্থানান্তরের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে বছরব্যাপী সেচ চালু করা হয়েছে। গোদাগাড়ী ও পুঠিয়া এলাকায় পদ্মা নদীর পানি ব্যবহার করে দীর্ঘ খাল ব্যবস্থার মাধ্যমে বিস্তীর্ণ জমিকে সেচের আওতায় আনা হচ্ছে। এছাড়া পদ্মা, মহানন্দা ও আত্রাই নদী থেকে সরাসরি পাম্পের মাধ্যমে সেচ দিতে পাম্প স্থাপন করে বছরজুড়ে চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
বারনই নদীতে রাবার ড্যাম স্থাপন
ভূ-পরিস্থ পানি ধরে রেখে সেচ ও অন্যান্য প্রয়োজনে ব্যবহার নিশ্চিত করতে ছোট নদীতে রাবার ড্যাম স্থাপন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি কার্যকর কৌশল। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিএমডিএ পুঠিয়া উপজেলার বারনই নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ করে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে তা কার্যকর করে। এর ফলে নদীর প্রায় ৪০ কিলোমিটার অংশ ও সংলগ্ন ২০টি খালে ২০০টি সেচযন্ত্রের মাধ্যমে প্রায় ৮,০০০ হেক্টর জমিতে বছরজুড়ে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে।
জলবদ্ধতা দূরীকরণে ভূমিকা
বরেন্দ্র অঞ্চলের বহু বড় জলাধার ও খাল দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট সৃষ্টি হয়ে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। এই সমস্যা সমাধানে বিএমডিএ পবা উপজেলায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৩০ মিটার প্রশস্ত যোহা খাল এবং রানীনগরে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৩২ মিটার প্রশস্ত রক্তদহ খাল পুনঃখনন করে। এর ফলে প্রায় ৩,০০০ হেক্টর জমিতে বর্ষাকালে আমন ধান চাষ সম্ভব হয়েছে, রবি মৌসুমে সেচ সুবিধা বেড়েছে এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ উন্নয়নও নিশ্চিত করা হয়েছে।
শস্য বহুমুখীকরণে ভূমিকা
বোরো ধানে অতিরিক্ত পানির চাহিদা থাকায় ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে বরেন্দ্র এলাকায় শস্য বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কম পানি লাগে অথচ বেশি লাভজনক ফসল যেমন গম, আলু, সরিষা ও ডাল চাষে প্রশিক্ষণ ও উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, ফলে বোরো ধানের আবাদ ধীরে ধীরে কমছে। যেসব এলাকায় বোরো আবাদ চলছে সেখানে AWD পদ্ধতিতে সেচ দেওয়ার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ পানি সাশ্রয় করা হচ্ছে। পাশাপাশি আউশ ধান বাড়াতে ব্রি-ধান-৪৮ ও ব্রি-ধান-৫৫ জাত সরবরাহ করা হয়েছে, যা হেক্টরপ্রতি প্রায় ৫ টন ফলন দেয় এবং এর মধ্যে ব্রি-ধান-৪৮ খরা সহনশীল।
তুলা চাষে ভূমিকা
বরেন্দ্র অঞ্চলের বহু পতিত জমি পানির সংকটে দীর্ঘদিন চাষের বাইরে থাকলেও তুলা কম পানিতে লাভজনক ফসল হওয়ায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই লক্ষ্যে বিএমডিএ গোদাগাড়ী উপজেলায়, যেখানে গভীর নলকূপ অকার্যকর, পুনঃখননকৃত ৩টি পুকুরের পানি ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৭০ বিঘা অনাবাদি জমিতে তুলা চাষ শুরু করেছে। মাঠপর্যায়ের ফলাফল আশাব্যঞ্জক হওয়ায় ভবিষ্যতে আশপাশের পুকুর সংস্কার করে এসব পতিত জমিতে বৃহৎ পরিসরে তুলা আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
উন্নতমানের বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সেচ সুবিধার পাশাপাশি ধান, গম, ছোলা, মাষকলাই ও সরিষাসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ও মানসম্মত বীজ নিজস্ব ব্যবস্থায় উৎপাদন করে কৃষকদের কাছে ন্যায্য দামে সরবরাহ করছে। এসব বীজের ফলন ক্ষমতা ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত বেশি। ফলে বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের উৎপাদিত কোনো বীজই অবিক্রিত থেকে যায় না।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রমের অর্জন
৩। খাস খাল ও পুকুর পুন: খনন-১৬৫৮.৭৭ কি.মি. ও ৩০৩৭ টি
৪। নদীর পানি খাল/ পুকুরে স্থানান্তর ও সেচকাজে ব্যবহার-১৪৬টি সেচযন্ত্র স্থাপন
৫। সেচের গভীর নলকূপ হতে খাবার পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ-১২৬৭ টি
৮। ভূ-গর্ভস্থ পাইপ লাইন নির্মাণ-১৪৯৮৯ কি.মি.
৯। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন-৮২০০ কি.মি.
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। সেচ চার্জ বাবদ আদায়কৃত অর্থ হতে এর যাবতীয় পরিচালন ব্যয় নির্বাহ হয়। সরকারি অর্থায়নে যাবতীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।
আরও পড়ুনঃ AWD পদ্ধতিতে ধান চাষ-নিয়মকানুনসহ
বিএমডিএ কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহ
প্রকল্পের নাম এবং প্রকল্প ব্যয়
২. বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প-পর্ব-২ (১৯৯০-২০০১)
১৬. কমান্ড এরিয়া উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রকল্প, ইউনিট-২, ঠাকুরগাঁও (২০০৩-২০০৮)
১৭. বরেন্দ্র গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, পর্যায়-৩ (২০০৩-২০০৮)
১৮. বরেন্দ্র প্রকল্পের ইউনিট-২ এলাকায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনায়ন কর্মসূচি (২০০৫-২০০৮)
১৯. গভীর নলকূপ স্থাপন প্রকল্প, ইউনিট-২, ঠাকুরগাঁও (২০০৫-২০১০)।
২০. বরেন্দ্র বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সেচ প্রকল্প। (২০০৪-২০১০)
২১. স্মার্ট কার্ড ভিত্তিক প্রি-পেইড পাম্প ব্যবহার এবং শক্তি পরিমাপ ব্যবস্থা প্রকল্প। (২০০৮-২০১০)
২২. কৃষক পর্যায়ে মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন প্রকল্প (২০০৬-২০১১)
২৩. বনায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বরেন্দ্র পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার (২০০৬-২০১১)
২৪. বাংলাদেশে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সম্পদ সংগ্রহ (ইকো সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট) (SLMP, বরেন্দ্র অংশ) (২০০৯-২০১১)
২৬. সূক্ষ্ম ধান উৎপাদন ও বিপণন কর্মসূচি (২০০৯-২০১২)
২৭. সেচ গভীর নলকূপ প্রকল্প থেকে পানীয় জল সরবরাহ (২০০৮-২০১২)
২৮. কমান্ড এলাকা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রকল্প, পর্যায়-২ (২০০৮-২০১৩)
২৯. কমান্ড এলাকা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (২০১০-২০১৩)
৩০. সেচ প্রকল্পের জন্য অকার্যকর DTW সক্রিয়করণ (২০০৮-২০১৪)
৩১. ভূপৃষ্ঠের জল বৃদ্ধির মাধ্যমে সেচ কর্মসূচি (২০১৩-২০১৬)
৩২. স্মার্ট কার্ড ভিত্তিক প্রি-পেইড পাম্প ব্যবহার এবং শক্তি পরিমাপ ব্যবস্থা প্রকল্প।
(2008-2016)
৩৩. পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর এবং জয়পুরহাট সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (2010-2017)
৩৪. গভীর নলকূপ স্থাপন প্রকল্প, দ্বিতীয় পর্যায়; (জানুয়ারী’২০১০-জুন’২০১৮)।
৩৫. গ্রামীণ যোগাযোগ প্রকল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি পণ্য বিপণন, (অক্টোবর’২০১০-জুন’১৮)।
৩৬. বরেন্দ্র বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সেচ প্রকল্প, দ্বিতীয় পর্যায়; (মার্চ’২০১১-জুন’১৮)
৩৭. রাজশাহী, চাঁপাই-নবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলায় পুরাতন গভীর নলকূপের পুনর্বাসন; (ফেব্রুয়ারী’২০১৪-জুন’২০১৮)।
৩৮. খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচ সম্প্রসারণ; (জানুয়ারী’২০১৫-জুন’২০১৮)
৩৯. সেচ গভীর নলকূপ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহ, তৃতীয় পর্যায়;(জুলাই’২০১৩-জুন’২০১৮)
৪০. ভূ-পৃষ্ঠের সেচ চ্যানেল নির্মাণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি;
(জুলাই ২০১৫-জুন ২০১৯)।
৪১. নওগাঁ জেলায় ভূ-পৃষ্ঠের পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা দূর করে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ; (জুলাই ২০১৫-জুন ২০১৯)।
৪২. ফসল উৎপাদনের জন্য মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, বিতরণ এবং কৃষক প্রশিক্ষণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত)। (জুলাই ২০১৫-জুন ২০২০)
৪৩. নরম সেচের মাধ্যমে ফসল চাষের জন্য বরেন্দ্র অঞ্চলে খননকৃত কূপ খনন (সংশোধিত-১); (জুলাই ২০১৬-জুন ২০২১)।
৪৪. রাজশাহী জেলার বাঘা, চারঘাট এবং পবা উপজেলায় ভূ-পৃষ্ঠের জল বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা প্রশমনের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ; (অক্টোবর ২০১৫-জুন ২০২১)।
৪৫. পুকুর পুনঃখনন এবং ভূ-পৃষ্ঠের জল বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচ; (জুলাই, ২০১৯ - জুন, ২০২৪)।
৪৬. "বাংলাদেশে সেচকৃত কৃষিতে ভূগর্ভস্থ জল সংরক্ষণ এবং এর ব্যবহারের দক্ষতা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি" সম্পর্কিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (বিএমডিএ অংশ); (জুলাই' ২০২০ - জুন' ২০২৪)।
৪৭. ভূ-পৃষ্ঠের পানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানির সংরক্ষণের মাধ্যমে নাটোর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ, (জুলাই-২০১৯-ডিসেম্বর'২০২৪)।
৪৮. ভূ-পৃষ্ঠের পানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানির সংরক্ষণের মাধ্যমে বৃহত্তর রংপুর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ (১ম সংশোধিত সংস্করণ); (অক্টোবর, ২০১৯-জুন, ২০২৫)।
৪৯. ভূ-পৃষ্ঠস্থ সেচ চ্যানেল সম্প্রসারণ এবং ড্রিপ সেচ পাইলটিং এ কমান্ড এলাকা এবং সেচ দক্ষতা সম্প্রসারণ; (এপ্রিল, ২০২২-মার্চ, ২০২৬)। ৩৯৪৯৭.৭৫ এবং ১০৪১১.০০ (২৬.৩৬%)
বিএমডিএ’র চলমান প্রকল্পসমূহ
চলমান প্রকল্প সমূহের নাম এবং প্রকল্প ব্যয়
২. সেচ অবকাঠামো প্রকল্পের পুনর্বাসন; (জানুয়ারী ২০২২ - ডিসেম্বর ২০২৬)।
৩. খালের দ্বিতীয় পর্যায়ে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচ সম্প্রসারণ; (অক্টোবর, ২০২২-জুন'২০২৭)।
৪. পুষ্টি, উদ্যোক্তা এবং স্থিতিস্থাপকতার জন্য কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর কর্মসূচি (PARTNER) (জুলাই' ২০২৩ - জুন' ২০২৮)।
৫. পদ্মা নদী থেকে পানি সরবরাহ এবং বরেন্দ্র অঞ্চলে ডাবল লিফটিং সিস্টেমের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ। (সেপ্টেম্বর ২০২৩ - জুন ২০২৭)।
৬. বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অবকাঠামো উন্নয়নসহ সক্ষমতা বৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ প্রকল্প। (অক্টোবর, ২০২৩- জুন, ২০২৬)।
৭. বরেন্দ্র অঞ্চলে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফল ও ঔষধি ফসলের জনপ্রিয়করণ প্রকল্প;
(জুলাই-২০২০-জুন'২০২৬)।
৮. ভূ-পৃষ্ঠের সেচ চ্যানেল সম্প্রসারণ এবং ড্রিপ সেচ ব্যবস্থার পাইলটিং এর মাধ্যমে কমান্ড এলাকা এবং সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি; (এপ্রিল, ২০২২-মার্চ, ২০২৬)।
৯. ভূপৃষ্ঠের পানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানির সংরক্ষণের মাধ্যমে বৃহত্তর রংপুর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ (১ম সংশোধন); (অক্টোবর, ২০১৯-জুন, ২০২৫)।
১০. ভূ-পৃষ্ঠের পানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বৃষ্টির পানির সংরক্ষণের মাধ্যমে নাটোর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ, (জুলাই-২০১৯-ডিসেম্বর'২০২৪)।
বিএমডিএ-এর বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে মোট উন্নয়ন কার্যক্রম
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অর্জন
LLP স্থাপন (সৌর+বিদ্যুৎ) (সংখ্যা)-(৪৭৬+৫৭৯) ১০৫৫
সেচ জল বিতরণ ব্যবস্থা (কিমি)-১৫৩৪৯
সম্প্রসারণ সেচ জল বিতরণ ব্যবস্থা (কিমি)-২০৫২
খাল পুনঃখনন (কিমি)-২৬৪৯.৮২
পরিত্যক্ত পুকুর পুনঃখনন (সংখ্যা)-৪৩২১
ক্রস বাঁধ নির্মাণ (সংখ্যা)-৮০০
সৌরশক্তি দিয়ে খনন কূপ খনন (সংখ্যা)-৬৭০
ফিডার রাস্তা নির্মাণ (কিমি)-১১৪৪
সেচ থেকে পানীয় জল সরবরাহ DTW (সংখ্যা)-১৭১৫
পাথর সেতু নির্মাণ (সংখ্যা)-৫৪
গবাদি পশুর ক্রস কালভার্ট নির্মাণ (সংখ্যা)-১০৯
হালকা কালভার্ট নির্মাণ (সংখ্যা)-৮
জলাবদ্ধতা দূরীকরণ (হেক্টর)-১৩০৫৭
পানি/ফিটা পাইপ সরবরাহ (মিটার)-৭৩৭১০০
বনায়ন (লক্ষ)-২৭০.৭৪
কৃষক প্রশিক্ষণ (ব্যক্তি)-১৫৮৩০২
২০২৩-২৪ সালে সেচ সরঞ্জামের ব্যবহার (সংখ্যা)-DTW ১৫৫৩৮ + LLP ৮৯১
২০২৩-২৪ সালে সেচযোগ্য এলাকা (লক্ষ হেক্টর)-আউশ ০.৮১১ + আমন ৩.৫৯৬ + রবি ৫.৯৪৫
২০২৩-২৪ সালে সেচ চার্জ আদায় (লক্ষ টাকা)-২৫০৮১.১০
২০২৪-২৫ সালে সেচ সরঞ্জামের ব্যবহার (লক্ষ টাকা)-DTW ১৫৫৬০ + LLP ৯৯১
২০২৪-২৫ সালে সেচযোগ্য এলাকা (লক্ষ হেক্টর)-আউশ ০.৮০৬ + আমন ৩.৫৭২ + রবি ৬.২৯
২০২৪-২৫ সালে সেচ চার্জ আদায় (লক্ষ টাকা)-২৩৪৫৫.২৭
ফসল উৎপাদন (আনুমানিকঃ লক্ষ মেট্রিক টন)-৭০.৬০
সুবিধাপ্রাপ্ত কৃষক (লক্ষ প্রতি)-১১.৬২
ফসলের তীব্রতা (কমান্ড এলাকায় (প্রকল্পের আগে ১১৭%))-২৪০%
বিএমডিএ পরিচালনা বোর্ড
ক্রমিক নং কর্মকর্তা/প্রতিনিধি পদবি
খ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি-সদস্য
গ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি-সদস্য
ঘ মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি-সদস্য
ঙ যুগ্মসচিব (উপকরণ), কৃষি মন্ত্রণালয়-সদস্য
চ জেলা প্রশাসক, রাজশাহী-সদস্য
জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর-সদস্য
ছ পুলিশ সুপার, রাজশাহী-সদস্য
পুলিশ সুপার, দিনাজপুর-সদস্য
জ জৈষ্ঠতম প্রকৌশলী, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-সদস্য
ঝ জনাব মোঃ জাফুরুল্লাহ, ঘোষপাড়া, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁও-সদস্য
জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম হিরক, চন্দ্রিমা আবাসিক এরিয়া, রোড নং-১, বাড়ি নং-৯, থানা-চন্দ্রিমা, পোঃ পদ্মা আবাসিক, রাজশাহী।-সদস্য
মিসেস বদরুল লাইলি, হাউজ নং-১০৫, ভাটাপাড়া (সেন্ট্রাল পার্কের বিপরীতে), থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী।-সদস্য
ঞ নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-সদস্য সচিব
আরও পড়ুনঃ জমিতে আগাছানাশক ব্যবহার পদ্ধতি-নিয়মকানুনসহ
শেষকথা-বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী এর ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে বলা যায় প্রতিষ্ঠানটি স্বল্প বৃষ্টিপ্রবণ ও পানি সংকটাপন্ন বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের টেকসই উন্নয়নে একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ভূ-পরিস্থ পানি সংরক্ষণ, নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ, বনায়ন ও গ্রামীণ যোগাযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বহুমুখী ভূমিকা পালন করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করায় এর কার্যক্রম জনবান্ধব ও সময়োপযোগী হয়েছে। ফলে বিএমডিএ আজ বরেন্দ্র অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের এক নির্ভরযোগ্য চালিকাশক্তি।
-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80.webp)
স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url