কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
সূচিপত্রঃ কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
-
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান
-
প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান
- ১। মাথিনের কূপ, টেকনাফ
- ২। রামু বৌদ্ধ মন্দির
-
৩। মাহাসিংদোগ্ৰী বৌদ্ধ মন্দির, কক্সবাজার
-
৪। পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার, কক্সবাজার
-
৫। লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার, কক্সবাজার
-
৬। এক গম্বুজ মসজিদ, কক্সবাজার
-
৭। আদিনাথ মন্দির, মহেশখালী
-
৮। কানা রাজার সুড়ঙ্গ, উখিয়া
- ৯। কক্সবাজার লাইট হাউজ
- প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
- ১০। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
- ১১। কলাতলী সী বিচ
- ১২। লাবনি বিচ
- ১৩। সুগন্ধা বিচ
- ১৪। সালসা বিচ
- ১৫। ইনানী সী বিচ
- ১৬। পাটুয়ার টেক বিচ
- ১৭। শামলাপুর বিচ
- ১৮। কাকরা বিচ
- ১৯। সি পার্ল বিচ
-
২০। বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত, কক্সবাজার
- ২১। মেরিন ড্রাইভ রোড
- ২২। দরিয়া নগর, কক্সবাজার
- ২৩। হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড়
- ২৪। সাবরাং
- ২৫। রেজু খাল
-
২৬। সেন্ট মার্টিন প্রবাল দ্বীপ
-
২৭। ছেড়া দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন
-
২৮। সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী
- ২৯। মহেশখালী দ্বীপ
- ৩০। কুতুবদিয়া দ্বীপ
- ৩১। শাহপরীর দ্বীপ
- ৩২। মাতামুহুরী নদী
- ৩৩। নাফ নদী সাইট
- ৩৪। রামু রাবার বাগান
-
৩৫। রাখাইন পাড়া, কক্সবাজার
-
৩৬। বরইতলী মৎস্য খামার, কক্সবাজার
-
৩৭। বীর কামলা দীঘি, টেকনাফ
-
৩৮। বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কক্সবাজার
-
৩৯। রাডার স্টেশন, কক্সবাজার
- পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
-
৪০। রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, কক্সবাজার
-
৪১। নিভূতে নিসর্গ পার্ক, চকোরিয়া
-
৪২। ডুলা হাজারা সাফারি পার্ক, চকোরিয়া
- ৪৩। মিনি বান্দরবান
- ৪৪। মারমেইড বিচ রিসোর্ট
- অন্যান্য স্থান
-
৪৫। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, কক্সবাজার
-
৪৬। লবণ রপ্তানি বাজার, কক্সবাজার
-
৪৭। বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার
-
৪৮। কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, কক্সবাজার
-
কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার ও কোথায় পাওয়া যায়
-
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণে যাব
-
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
-
শেষকথাঃ কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন
গাইড
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান
প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান
১। মাথিনের কূপ, টেকনাফ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, টেকনাফ পৌরসভা এলাকা
- দূরত্বঃ কক্সবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক প্রেমকাহিনী, পুরোনো কূপ ও ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mathin+Kuper+Teknaf
২। রামু বৌদ্ধ মন্দির
- অবস্থানঃ রামু উপজেলা, রামু সদর
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বিশাল বুদ্ধমূর্তি, বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপত্য ও শান্ত পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ramu+Buddhist+Temple+Coxs+Bazar
৩। মাহাসিংদোগ্ৰী বৌদ্ধ মন্দির, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ রামু উপজেলা, পাহাড়ি এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়ঘেরা পরিবেশ, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও নীরব আবহাওয়া
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mahasingdogri+Buddhist+Temple+Coxs+Bazar
৪। পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ রামু উপজেলা, পাতাবাড়ী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপত্য, প্রার্থনালয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Patabari+Buddhist+Temple+Ramu
৫। লামারপাড়া বৌদ্ধবিহার, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ রামু উপজেলা, লামারপাড়া এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহার, ধর্মীয় নিদর্শন ও নিরিবিলি পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Lamarpara+Buddhist+Monastery+Ramu
৬। এক গম্বুজ মসজিদ, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন ইসলামিক স্থাপত্য, ধর্মীয় গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক নিদর্শন
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ek+Gombuj+Mosque+Coxs+Bazar
৭। আদিনাথ মন্দির, মহেশখালী
- অবস্থানঃ মহেশখালী উপজেলা, মৈনাক পাহাড়
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়চূড়ার মন্দির, সাগরের দৃশ্য ও ধর্মীয় উৎসব
- খোলা থাকেঃ সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Adinath+Temple+Moheshkhali
৮। কানা রাজার সুড়ঙ্গ, উখিয়া
- অবস্থানঃ উখিয়া উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ রহস্যময় সুড়ঙ্গ, লোককাহিনী ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Kana+Rajar+Tunnel+Ukhiya
৯। কক্সবাজার লাইট হাউজ
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, সমুদ্র সৈকত এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সমুদ্র দর্শন, পুরোনো নৌ-নির্দেশনা কেন্দ্র ও ফটোগ্রাফি
- খোলা থাকেঃ বাহির থেকে সারাদিন দেখা যায়
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Coxs+Bazar+Lighthouse
প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
১০। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ও সমুদ্র ভ্রমণ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Coxs+Bazar+Sea+Beach
১১। কলাতলী সী বিচ
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, কলাতলী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ হোটেল জোন, রাতের সৌন্দর্য ও সমুদ্র উপভোগ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Kolatoli+Beach+Coxs+Bazar
১২। লাবনি বিচ
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, লাবনি পয়েন্ট
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সূর্যাস্ত, বিচ মার্কেট ও পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Laboni+Beach+Coxs+Bazar
১৩। সুগন্ধা বিচ
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঝিনুক মার্কেট, সমুদ্র উপভোগ ও ফটোগ্রাফি
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sugandha+Beach+Coxs+Bazar
১৪। সালসা বিচ
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপকূল এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ শান্ত পরিবেশ, কম ভিড় ও নিরিবিলি সমুদ্রসৈকত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Salsa+Beach+Coxs+Bazar
১৫। ইনানী সী বিচ
- অবস্থানঃ উখিয়া উপজেলা, ইনানী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রবাল পাথর, নীল জলরাশি ও নিরিবিলি পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Inani+Beach+Coxs+Bazar
১৬। পাটুয়ার টেক বিচ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, পাটুয়ারটেক এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ নাফ নদীর মোহনা, নির্জন সৈকত ও সূর্যাস্তের দৃশ্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Patuartek+Beach+Teknaf
১৭। শামলাপুর বিচ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, শামলাপুর এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড় ও সমুদ্রের মিলন, নির্জন পরিবেশ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shamlapur+Beach+Teknaf
১৮। কাকরা বিচ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ লাল কাঁকড়া, নিরিবিলি সৈকত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Kakra+Beach+Teknaf
১৯। সি পার্ল বিচ
- অবস্থানঃ উখিয়া উপজেলা, ইনানী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পরিচ্ছন্ন সৈকত, রিসোর্ট এলাকা ও সমুদ্র দৃশ্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sea+Pearl+Beach+Coxs+Bazar
২০। বড়ঘোপ সমূদ্র সৈকত, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কুতুবদিয়া উপজেলা, বড়ঘোপ এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ নির্জন সমুদ্র সৈকত, জেলে জীবন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Boro+Ghop+Sea+Beach+Kutubdia
২১। মেরিন ড্রাইভ রোড
- অবস্থানঃ কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উপকূলীয় সড়ক
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকেই শুরু
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ দৃশ্য এবং দেশের অন্যতম সুন্দর সড়কপথ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Coxs+Bazar+Marine+Drive
২২। দরিয়া নগর, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ হিমছড়ি এলাকা, কক্সবাজার সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়, ঝাউবন ও সমুদ্রের সুন্দর সমন্বয়
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Daria+Nagar+Coxs+Bazar
২৩। হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড়
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা, হিমছড়ি এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঝর্ণা, পাহাড়ি দৃশ্য ও সমুদ্রের প্যানোরামিক ভিউ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Himchari+Waterfall+Coxs+Bazar
২৪। সাবরাং
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, সাবরাং ইউনিয়ন
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সমুদ্র উপকূল, প্রকৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sabrang+Teknaf
২৫। রেজু খাল
- অবস্থানঃ উখিয়া উপজেলা, রেজুখাল এলাকা
- দূরত্বঃ কক্সবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ খালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নৌকা ভ্রমণ ও সবুজ পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Reju+Khal+Coxs+Bazar
২৬। সেন্ট মার্টিন প্রবাল দ্বীপ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, বঙ্গোপসাগর
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রবাল দ্বীপ, স্বচ্ছ নীল পানি, নারিকেল গাছ ও সমুদ্রসৈকত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Saint+Martin+Island+Bangladesh
২৭। ছেড়া দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন
- অবস্থানঃ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ পাশে
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রবাল পাথর, নির্জন দ্বীপ, স্বচ্ছ পানি ও সামুদ্রিক সৌন্দর্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Chera+Dwip+Saint+Martin
২৮। সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী
- অবস্থানঃ মহেশখালী উপজেলা, সোনাদিয়া ইউনিয়ন
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ জীববৈচিত্র্য, পাখি, ম্যানগ্রোভ বন ও নিরিবিলি সমুদ্রসৈকত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sonadia+Island+Moheshkhali
২৯। মহেশখালী দ্বীপ
- অবস্থানঃ মহেশখালী উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়, সমুদ্র, লবণ মাঠ ও আদিনাথ মন্দির
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Moheshkhali+Island
৩০। কুতুবদিয়া দ্বীপ
- অবস্থানঃ কুতুবদিয়া উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সমুদ্রসৈকত, বাতিঘর, লবণ চাষ ও জেলে জীবন
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Kutubdia+Island
৩১। শাহপরীর দ্বীপ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়ন
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ নাফ নদী, সমুদ্র উপকূল, সীমান্ত দৃশ্য ও সূর্যাস্ত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shahporir+Dwip+Teknaf
৩২। মাতামুহুরী নদী
- অবস্থানঃ চকরিয়া উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মাছ ধরা ও নৌকা ভ্রমণ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Matamuhuri+River
৩৩। নাফ নদী সাইট
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সীমান্ত নদী, নৌকা ভ্রমণ, পাহাড় ও নদীর মিলন দৃশ্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Naf+River+Teknaf
৩৪। রামু রাবার বাগান
- অবস্থানঃ রামু উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বিস্তীর্ণ রাবার বাগান, সবুজ প্রকৃতি ও ফটোগ্রাফি
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ramu+Rubber+Garden
৩৫। রাখাইন পাড়া, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ রাখাইন সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও হস্তশিল্প
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Rakhine+Para+Coxs+Bazar
৩৬। বরইতলী মৎস্য খামার, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা, বরইতলী এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ মাছ চাষ, জলাশয় ও গ্রামীণ পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Boroitoli+Fish+Farm+Coxs+Bazar
৩৭। বীর কামলা দীঘি, টেকনাফ
- অবস্থানঃ টেকনাফ উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক দীঘি, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও স্থানীয় ইতিহাস
- খোলা থাকেঃ সারাদিন খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bir+Kamola+Dighi+Teknaf
৩৮। বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপকূল এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ উইন্ডমিল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প ও সমুদ্র উপকূলীয় দৃশ্য
- খোলা থাকেঃ বাহির থেকে সারাদিন দেখা যায়
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Coxs+Bazar+Wind+Power+Plant
৩৯। রাডার স্টেশন, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা, পাহাড়ি এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়চূড়ার দৃশ্য, সমুদ্র ভিউ ও সূর্যাস্ত
- খোলা থাকেঃ বাহির থেকে সারাদিন দেখা যায়
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Radar+Station+Coxs+Bazar
পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
৪০। রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, ঝাউতলা এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ অ্যাকুরিয়াম, সামুদ্রিক মাছ, শিশুদের বিনোদন
- খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Radiant+Fish+World+Coxs+Bazar
৪১। নিভূতে নিসর্গ পার্ক, চকোরিয়া
- অবস্থানঃ চকরিয়া উপজেলা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ, পিকনিক ও পরিবার নিয়ে ঘোরার উপযোগী স্থান
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nibhrite+Nisarga+Park+Chakaria
৪২। ডুলা হাজারা সাফারি পার্ক, চকোরিয়া
- অবস্থানঃ চকরিয়া উপজেলা, ডুলাহাজারা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বন্যপ্রাণী, সাফারি অভিজ্ঞতা, পরিবারিক ভ্রমণ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dulahazara+Safari+Park
৪৩। মিনি বান্দরবান
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপকণ্ঠ
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়ি পরিবেশ, ঝর্ণা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mini+Bandarban+Coxs+Bazar
৪৪। মারমেইড বিচ রিসোর্ট
- অবস্থানঃ উখিয়া উপজেলা, পেঁচাড়দ্বীপ এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ সমুদ্র ভিউ, বিলাসবহুল রিসোর্ট ও নিরিবিলি পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mermaid+Beach+Resort+Coxs+Bazar
অন্যান্য স্থান
৪৫। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, ফিশারি ঘাট এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ মাছের নিলাম, সামুদ্রিক মাছ ও জেলেদের কর্মব্যস্ততা
- খোলা থাকেঃ ভোর ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Fish+Landing+Center+Coxs+Bazar
৪৬। লবণ রপ্তানি বাজার, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ মহেশখালী ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ লবণ চাষ, স্থানীয় ব্যবসা ও উপকূলীয় জীবনধারা
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Salt+Market+Coxs+Bazar
৪৭। বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর, শহর কেন্দ্র
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ বার্মিজ পণ্য, আচার, হস্তশিল্প ও শপিং
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Burmese+Market+Coxs+Bazar
৪৮। কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, কক্সবাজার
- অবস্থানঃ কক্সবাজার সদর উপজেলা, ঝিলংজা এলাকা
- দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার
- আকর্ষণীয় কেনঃ দেশের আধুনিক রেলস্টেশন, নান্দনিক স্থাপত্য ও পর্যটন যোগাযোগ ব্যবস্থা
- খোলা থাকেঃ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Coxs+Bazar+Railway+Station
কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার ও কোথায় পাওয়া যায়
১। মেজবান ধাঁচের সামুদ্রিক মাছ ভুনা
- কেন বিখ্যাতঃ টাটকা সামুদ্রিক মাছ ও ঝাল-মসলাযুক্ত রান্নার স্বাদের জন্য জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- Poushee Restaurant
- Jhaubon Restaurant
২। লইট্টা শুঁটকি ভর্তা
- কেন বিখ্যাতঃ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি খাবারের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার
- কলাতলী ও সুগন্ধা বিচ এলাকার স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলোতে
৩। চিংড়ি ও কাঁকড়ার বারবিকিউ
- কেন বিখ্যাতঃ সমুদ্র থেকে ধরা টাটকা কাঁকড়া ও চিংড়ি সরাসরি বারবিকিউ করে পরিবেশন করা হয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- Mermaid Cafe
- ইনানী ও মেরিন ড্রাইভ এলাকার বিচসাইড রেস্টুরেন্টে
৪। বার্মিজ খাবার
- কেন বিখ্যাতঃ রাখাইন ও বার্মিজ সংস্কৃতির প্রভাবে কক্সবাজারে বিশেষ ধরনের নুডলস, স্যুপ ও আচার জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার
- Yasmin Restaurant
৫। সামুদ্রিক ফিশ ফ্রাই
- কেন বিখ্যাতঃ রূপচাঁদা, কোরাল, টুনা ও লাক্ষা মাছের ফ্রাই পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- লাবনি বিচ ও সুগন্ধা বিচের ফুড স্টলগুলোতে
- Niribili Restaurant
৬। নারিকেল পানি ও ডাব
- কেন বিখ্যাতঃ সমুদ্র উপকূলের টাটকা ডাবের স্বাদ আলাদা
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- মেরিন ড্রাইভ রোড
- ইনানী বিচ
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
৭। কোরাল মাছের ঝোল
- কেন বিখ্যাতঃ সেন্ট মার্টিন ও টেকনাফ অঞ্চলের জনপ্রিয় সামুদ্রিক খাবার
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে
- Hotel Coral View Restaurant
৮। শুঁটকি ভুনা ও শুঁটকি চচ্চড়ি
- কেন বিখ্যাতঃ কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম বড় শুঁটকি উৎপাদন এলাকা
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- নাজিরারটেক শুঁটকি পল্লী
- স্থানীয় হোটেল ও খাবারের দোকানে
৯। কাঁকড়ার ঝাল কারি
- কেন বিখ্যাতঃ ঝাল-মসলাযুক্ত কাঁকড়ার কারি পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকার রেস্টুরেন্টে
- Salt Bistro And Cafe
১০। সামুদ্রিক শুকনা মাছের আচার
- কেন বিখ্যাতঃ দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য ও ভিন্ন স্বাদের কারণে জনপ্রিয়
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- বার্মিজ মার্কেট
- লাবনি বিচ মার্কেট
- কক্সবাজার শহরের আচার দোকানগুলোতে
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণে যাব
১। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত
Cox's Bazar Sea Beach বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত হিসেবে বিখ্যাত। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
২। সমুদ্র, পাহাড় ও ঝর্ণার একসাথে সৌন্দর্য
কক্সবাজারে একই ভ্রমণে সমুদ্র, পাহাড়, ঝর্ণা ও বনভূমির অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। বিশেষ করে Himchari Waterfall এবং মেরিন ড্রাইভের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।
৩। সুন্দর দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ
Saint Martin's Island, Sonadia Island ও Kutubdia Island এর মতো দ্বীপগুলো প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য অসাধারণ গন্তব্য।
৪। মেরিন ড্রাইভে স্মরণীয় ভ্রমণ
Marine Drive Road বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর সড়কপথ। এক পাশে পাহাড় ও অন্য পাশে সমুদ্রের দৃশ্য ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৫। সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ
কক্সবাজারে টাটকা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, শুঁটকি ও বার্মিজ খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় যা দেশের অন্য জায়গার তুলনায় ভিন্ন ও বিশেষ।
৬। ইতিহাস ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য
Adinath Temple, বৌদ্ধ মন্দির, রাখাইন পাড়া ও বার্মিজ সংস্কৃতি কক্সবাজারকে দিয়েছে আলাদা ঐতিহ্য।
৭। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে বিনোদনের সুযোগ
Dulahazara Safari Park, ফিশ ওয়ার্ল্ড, বিচ রিসোর্ট ও বিভিন্ন পার্ক পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য উপযুক্ত।
কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
১। অতিরিক্ত ভিড়
ছুটির দিন ও পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে প্রচুর পর্যটকের ভিড় হয়। এতে হোটেল সংকট ও যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে।
২। খরচ তুলনামূলক বেশি
পর্যটন মৌসুমে হোটেল, খাবার ও পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে যায়।
৩। আবহাওয়ার ঝুঁকি
বর্ষাকাল বা সাগর উত্তাল থাকলে দ্বীপ ভ্রমণ ও সমুদ্র গোসল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
৪। পরিবেশ দূষণ
কিছু এলাকায় প্লাস্টিক ও পর্যটকদের ফেলা ময়লার কারণে পরিবেশ দূষণের সমস্যা দেখা যায়।
৫। যানজট ও দীর্ঘ যাত্রা
ঢাকা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে কক্সবাজার যেতে দীর্ঘ সময় লাগে এবং মৌসুমে যানজট হতে পারে।
৬। কিছু দ্বীপে সীমিত সুবিধা
সেন্ট মার্টিন বা দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও চিকিৎসা সুবিধা সীমিত হতে পারে।
৭। সমুদ্রের নিরাপত্তা ঝুঁকি
সব জায়গায় লাইফগার্ড বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমান নয়। তাই সতর্কতা ছাড়া গভীর সমুদ্রে নামা বিপজ্জনক হতে পারে।
৮। অফ-সিজনে কিছু স্পট কম আকর্ষণীয়
বর্ষাকাল বা অফ-সিজনে কিছু পর্যটন কেন্দ্র কাদাময় বা কম উপভোগ্য হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ পঞ্চগড় জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
শেষকথাঃ কক্সবাজার জেলার ৪৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
কক্সবাজার ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করতে সঠিক পরিকল্পনা, আবহাওয়া সম্পর্কে ধারণা এবং স্থানগুলোর অবস্থান জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গাইডে উল্লেখিত ৪৮টি দর্শনীয় স্থান আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনাকে আরও সহজ ও গোছানো করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়। তাই সময় সুযোগ পেলেই পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে পড়ুন অপরূপ সুন্দর কক্সবাজারের পথে। প্রকৃতির সৌন্দর্য, স্থানীয় সংস্কৃতি ও সমুদ্রের অনন্ত বিস্তার আপনাকে দেবে এক স্মরণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url