রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

    

রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমন করতে পারলে রাজশাহী জেলা সম্মন্ধে অনেকটাই জানা হয়ে যায়। “সিল্ক সিটি” ও “আমের নগরী” হিসেবে খ্যাত এই শহর শুধু অর্থনৈতিকভাবেই নয় পর্যটন সম্ভাবনার দিক থেকেও সমৃদ্ধ। প্রাচীন জমিদারবাড়ি, সুলতানি আমলের মসজিদ, ঐতিহাসিক জাদুঘর, পদ্মা নদীর মনোরম পাড়, সবুজ-শ্যামল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র সব মিলিয়ে রাজশাহী ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ গন্তব্য।
রাজশাহী-জেলার-২৩টি-সেরা-দর্শনীয়-স্থান-লোকেশনসহ-ভ্রমন-গাইড
এই ভ্রমণ গাইডে রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে অবস্থান, দূরত্ব, আকর্ষণীয় দিক, খোলা-বন্ধের সময় ও লোকেশন ম্যাপসহ। ফলে একজন ভ্রমণার্থী সহজেই নিজের সময় ও পরিকল্পনা অনুযায়ী ভ্রমণ সূচি তৈরি করতে পারবেন। চলুন, ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের শহর রাজশাহীর সেরা দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখা যাক।
সূচীপত্রঃ রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান

১. পুঠিয়া রাজবাড়ি কমপ্লেক্স

অবস্থানঃ পুঠিয়া উপজেলা, রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক, পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১ কি.মি. দক্ষিণে
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২৭ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ পাঁচআনি জমিদারবাড়ি, ভূবনেশ্বর শিব মন্দির, গোবিন্দ মন্দির, ডোলমঞ্চ, রাধাগোবিন্দ মন্দির, শ্যামসাগর ও শিবসাগর দিঘী, হাওয়া খানা ইত্যাদি।
খোলা থাকেঃ প্রতিদিন সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Puthia+Rajbari

২. বাঘা মসজিদ

অবস্থানঃ বাঘা উপজেলা, বাঘা-লালপুর সড়ক
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪৪ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ ১৫২৩ সালের সুলতানি আমলের মসজিদ, বিশাল দিঘী, পোড়ামাটির কারুকাজ, সুলতান নুসরত শাহের মাজার ইত্যাদি।
খোলা থাকেঃ ফজর থেকে এশা (নামাজের সময়), দর্শনার্থী সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা।
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Bagha+Mosque

৩. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর

অবস্থানঃ হেতেম খাঁ, সাহেববাজার সংলগ্ন, রাজশাহী শহর
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২.৫ কিমি
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ প্রাচীন ভাস্কর্য, শিলালিপি, মুদ্রা, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা – বিকাল ৫টা (শুক্রবার বন্ধ)
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Varendra+Research+Museum

৪. শাহ মখদুম (রঃ) মাজার

অবস্থানঃ দরগাপাড়া, রাজশাহী শহর
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ সুফি সাধকের মাজার, মসজিদ, পদ্মা নদীর দৃশ্য ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সারাদিন
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Shah+Makhdum+Shrine+Rajshahi

৫. তাহিরপুর রাজবাড়ী

অবস্থানঃ তাহিরপুর, বাগমারা উপজেলা
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩৫ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ রাজবাড়ীর ধ্বংসাবশেষ, ঐতিহাসিক নিদর্শন
খোলা থাকেঃ সারাদিন
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Taharpur+Rajbari

৬. কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

অবস্থানঃ থানা-দূর্গাপুর। রাজশাহী-নাটোর হাইওয়ের শিবপুর হতে প্রায় ৭ কি.মি.
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে  ২৪ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ মসজিদটি তার সরল কিন্তু দৃঢ় স্থাপত্যশৈলীর জন্য পরিচিত। স্থানীয় মুসলিম ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং শান্ত পরিবেশে এটির অবস্থান। 
খোলা থাকেঃ সবসময়
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Kismat+Maria+Mosque+Rajshahi

দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

৭. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

অবস্থানঃ মতিহার থানা
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৫ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ প্যারিস রোড, সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্য, শহীদ মিনার, কেন্দ্রীয় মসজিদ
খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা (সাধারণ প্রবেশ)
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=University+of+Rajshahi

৮. রাজশাহী কলেজ

অবস্থানঃ সাহেববাজার
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ১ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য-প্রশাসন ভবন ও ঐতিহাসিক কলেজ
খোলা থাকেঃ অফিস সময়
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Rajshahi+College

৯. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ

অবস্থানঃ সারদা, চারঘাট উপজেলা
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২৭ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ ব্রিটিশ আমলের স্থাপনা, প্রশিক্ষণ মাঠ, পদ্মা নদী সংলগ্ন পার্ক
খোলা থাকেঃ অনুমতি সাপেক্ষে
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Rajshahi+Cadet+College

১০. সারদা পুলিশ একাডেমী

অবস্থানঃ থানা-চারঘাট।  রাজশাহী-নাটোর হাইওয়ের বানেশ্বর হতে ৯ কি.মি.
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২৬ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ পুলিশ ট্রেনিং একাডেমি ও ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্য, জাদুঘর, লেক ও ঝুলন্ত ব্রীজ, মনোরম পরিবেশ
খোলা থাকেঃ অনুমতি সাপেক্ষে

১১. রেশম কারখানা ও গবেষণাগার

অবস্থানঃ সপুরা, রাজশাহী শহর
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কি.মি
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ রেশম চাষ, সুতা ‍উৎপাদন, রেশম পোকার  জীবনচক্র ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সাধারণত সরকারি অফিস সময় (সকাল ৯টা – বিকাল ৫টা), শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ।

পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র

১২. রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা

অবস্থানঃ শহরের উপকণ্ঠ, নওদাপাড়া সংলগ্ন
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ পশুপাখি, লেক, প্যাডেল বোট, নাগরদোলা ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Rajshahi+Zoo

১৩. শহীদ জিয়া শিশু পার্ক

অবস্থানঃ ভদ্রা এলাকা
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ বিভিন্ন রাইড, লেক, পিকনিক স্পট ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ বিকাল ৩টা - রাত ৯টা

১৪. সাফিনা পার্ক

অবস্থানঃ থানা-গোদাগাড়ি। রাজশাহী চাঁপাই হাইওয়ের গোদাগাড়ি হতে ৮ কি.মি.
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪১ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ রাইড, থ্রিডি সিনেমা, লেক
খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা - রাত ৮টা
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Safina+Park+Rajshahi

১৫. রাজশাহী নভোথিয়েটার

অবস্থানঃ রাজশাহী শহর, রাজশাহী কেন্দীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা সংলগ্ন
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ থিয়েটার, দৃষ্টিন্দন স্থাপনা
খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা - বিকাল ৫টা (সাপ্তাহিক বন্ধ-মঙ্গলবার)
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Rajshahi+Novotheatre

১৬. ওয়াটার পার্ক

অবস্থানঃ থানা-মোহনপুর। রাজশাহী-নওগাঁ হাইওযের সাথে
দুরত্ত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ১২ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার স্লাইড, ওয়েভ পুল, কিডস জোন, সুইমিং পুল, রেইন ড্যান্স, ফ্যামিলি রাইড, রেস্টুরেন্ট ও বসার ব্যবস্থা ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সাধারণত সকাল ১০টা – বিকাল ৬টা
লোকেশন ম্যাপঃ  

পদ্মা নদী কেন্দ্রীক দর্শনীয় স্থান

১৭. পদ্মা গার্ডেন

অবস্থানঃ টি-বাঁধ সংলগ্ন   
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেন: নদীর পাড়, রেস্টুরেন্ট, সূর্যাস্ত ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ১০টা
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Padma+Garden+Rajshahi

১৮. লালন শাহ মুক্তমঞ্চ

অবস্থানঃ রাজশাহী শহর সংলগ্ন পদ্মা নদীর ধারে
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৩ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুবিধা। প্রকৃতির মুক্ত হাওয়া, অপরুপ সৌন্দয্।
খোলা থাকেঃ সারাদিন উন্মুক্ত
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Lalon+Shah+Muktomoncho+Rajshahi

১৯. টি-বাঁধ

অবস্থানঃ পদ্মা নদীর পাড়, রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার পাশ্বে
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ সূর্যাস্ত, আড্ডা ইত্যাদি
খোলা থাকেঃ সারাদিন
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=T+Badh+Rajshahi

২০. আই বাঁধ

অবস্থানঃ পদ্মা নদীর পাড়, হাইটেক পার্কের সাথে
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৬ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ প্রকৃতির মুক্ত হাওয়া, অপরুপ সৌন্দয্।
খোলা থাকেঃ সারাদিন উন্মুক্ত (২৪ ঘণ্টা প্রবেশযোগ্য)।
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=I+Badh+Rajshahi

২১. বড়কুঠি

অবস্থানঃ সাহেববাজার সংলগ্ন পদ্মা পাড়
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ ডাচ আমলের ঐতিহাসিক ভবন
খোলা থাকেঃ বাহির থেকে দর্শনযোগ্য
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Boro+Kuthi+Rajshahi

২২. রাজশাহী হাইটেক পার্ক

অবস্থানঃ রাজশাহী শহর, কোর্ট এলাকার পশ্চিমে
দূরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৮ কি.মি.
আকর্ষণীয় যা দেখবেনঃ আধুনিক স্থাপনা, সিনেপ্লেক্স, মনোরম পরিবেশ
খোলা থাকেঃ অফিস সময়
লোকেশন ম্যাপঃ https://maps.google.com/?q=Rajshahi+Hi-Tech+Park

২৩। রাতের কয়েকটি আলোকসজ্জিত রোড

অবস্থানঃ ১। তালাইমারী হতে চৌদ্দপাই ২। রাজশাহী কোর্ট হতে তালাইমারী, ৩। রেলগেইট হতে নওহাটা ৪। বিমান চত্বর হতে ফল গবেষনা ইত্যাদি
দুরত্বঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে ২-৮ কি.মি.
আকর্ষনীয় যা দেখবেনঃ দৃষ্টিনন্দন লাইটে উপভোগ্য পরিচ্ছন্ন রাস্তা
লোকেশন ম্যাপঃ 

রাজশাহী জেলার সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা

রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান দেখতে যেভাবে রাজশাহী আসবেন-
  • বিমানঃ শাহ মখদুম বিমানবন্দর (রাজশাহী) ঢাকা, কক্সবাজার, সৈয়দপুর থেকে সরাসরি ফ্লাইটের মাধ্যমে। 
  • রেলঃ ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী বেশ কয়েকটি ট্রেন যেমন–পদ্মা এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, উত্তরাঞ্চল থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, তিতুমির এক্সপ্রেস, দক্ষিন বঙ্গ থেকে খুলনা এক্সপ্রেস ইত্যাদি
  • সড়কঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সরাসরি এসি-ননএসি, স্লিপার বাস সার্ভিস রয়েছে। 
  • স্থানীয় পরিবহনঃ শহরে চলাচলের জন্য রিকশা, অটো-রিকশা এবং সিএনজি ইত্যাদি খুবই সহজলভ্য। 

হোটেলসমূহ

  • বাজেট হোটেলঃ নিউ হোটেল স্টার, হোটেল মিডটাউন হোটেল মুক্তা ইন্টা. ইত্যাদি।
  • মধ্যম বাজেটের হোটেলঃ হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল ডালাস ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল
  • প্রিমিয়াম হোটেলঃ গ্রান্ড রিভারভিউ হোটেল, হোটেল X, হোটেল ওয়ারিসন, পযটন মোটেল।

স্থানীয় বিখ্যাত ও মুখরোচক খাবার

রাজশাহীর বিখ্যাত খাবারের মধ্যে রয়েছে উপশহরের কালাই রুটি-হাসের মাংস, সিএন্ডবি’র পুরী-মিষ্টি, নওহাটা’র ফয়সাল ভাই এর ভাজা মাংস, সিটি হাট এর গরু ভূনা, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এর মরিচ চা, কাটাখালি একতা হোটেলের কালাভূনা, তালাইমারি বৈকালী হোটেলের বট-পরাটা, বর্নালীর মালাই-চা, নিউমার্কেটের বাংলা বার্গার-ভাঙচুর ইত্যাদি। এছাড়া আমের মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের আম। 

সিল্ক কেনাকাটাঃ 

সপুরা সিল্ক মিলস হতে রাজশাহীর বিখ্যাত সিল্ক শাড়ি ও অন্যান্য পণ্য ক্রয়।  

শেষকথাঃ রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য। প্রাচীন স্থাপত্য, ঐতিহাসিক মসজিদ ও মাজার, জাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, মনোরম পার্ক ও নদীর পাড় সবই মিলিয়ে শহরটিকে একটি সমৃদ্ধ ভ্রমণস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পদ্মা নদীর তীরের সৌন্দর্য, সূর্যাস্তের দৃশ্য, রাতের আলোকসজ্জিত রোড এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা, রাজশাহীতে প্রতিটি ভ্রমণকে মনে রাখার মতো করে তোলে। এই ভ্রমণ গাইডে ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে অবস্থান, দূরত্ব, আকর্ষণীয় দিক, খোলা-বন্ধের সময় ও লোকেশন ম্যাপসহ। 
একজন পর্যটক এই তথ্য ব্যবহার করে নিজের সুবিধা অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন এবং রাজশাহীর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারবেন। সংক্ষেপে রাজশাহী জেলা ইতিহাস, শিক্ষা, প্রকৃতি ও বিনোদনের এক অনন্য সমন্বয় যা প্রতিটি ভ্রমণকে স্মরণীয় করে রাখে। এটি কেবল বাংলাদেশি পর্যটকদের নয়, বিদেশি ভ্রমণার্থীদেরও জন্য একটি প্রিয় গন্তব্য হতে পারে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Abir Hossain
Md. Salim Reza
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও স্মার্ট আইটিসেবার এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ফ্রিল্যান্সিং গাইড, লাইফস্টাইল, প্রবাস জীবন ও ভ্রমণ বিষয়ক, টেকনোলজি ইত্যাদি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। নিজেকে একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে গড়ে তোলাই তিনার লক্ষ্য।