শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
সূচিপত্রঃ শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
- শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান
- প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান
- ১। গড় জরিপার দুর্গ
- ২। গড়জরিপা বারদুয়ারী মসজিদ
- ৩। ঘাগড়া খানবাড়ি মসজিদ
- ৪। লোকনাথ মন্দির ও রঘুনাথ জিঁউ মন্দির
- ৫। মাইসাহেবা জামে মসজিদ
- ৬। হযরত শাহ কামালের মাজার
- ৭। দরবেশ জরিপ শাহের মাজার
- ৮। শের আলী গাজীর মাজার
- ৯। পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি
- ১০। শেরপুর জমিদার বাড়ি
- ১১। ব্রহ্মপুত্র ব্রীজ
- প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
- ১২। গজনী অবকাশ কেন্দ্র
- ১৩। মধুটিলা ইকোপার্ক
- ১৪। পানিহাটা-তারানি পাহাড়
- ১৫। গারো পাহাড়
- ১৬। নয়াবাড়ির টিলা
- ১৭। রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা
- ১৮। সুতি নদী
- ১৯। সুতানাল দীঘি
- ২০। নারায়ণখোলা শিমুল গাছ
- ২১। পাথরিয়া রাবার বাগান
- পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
- ২২। অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্ট
- ২৩। বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট
- ২৪। মায়াকুঞ্জ
- ২৫। শ্যামলী পার্ক এন্ড রেস্টুরেন্ট
- ২৬। শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক
- অন্যান্য স্থান
- ২৭। নাকুগাঁও স্থলবন্দর
- শেরপুর জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার
- শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণ করবেন
- শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
- শেষকথাঃ শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান
প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থানসমূহ
১। গড় জরিপার দুর্গ
- অবস্থানঃ শ্রীবরদী উপজেলা, গড়জরিপা এলাকা
- দূরত্বঃ শেরপুর সদর থেকে প্রায় ১০-১২ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন মুঘল আমলের বিশাল দুর্গ, সাতটি প্রাচীর ও পরিখা দ্বারা ঘেরা সামরিক স্থাপনা
- খোলা থাকেঃ সারাদিন (সাধারণত সকাল-সন্ধ্যা)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Garh+Jaripa+Fort
২। গড়জরিপা বারদুয়ারী মসজিদ
- অবস্থানঃ শ্রীবরদী উপজেলা, গড়জরিপা
- দূরত্বঃ সদর থেকে প্রায় ১০-১২ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন বারদুয়ারী স্থাপত্য, ঐতিহাসিক ধর্মীয় নিদর্শন
- খোলা থাকেঃ ফজর থেকে এশা পর্যন্ত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Garh+Jaripa+Baraduari+Mosque
৩। ঘাগড়া খানবাড়ি মসজিদ
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা, ঘাগড়া লস্করপাড়া গ্রাম
- দূরত্বঃ সদর থেকে প্রায় ১২ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্য, ঐতিহাসিকভাবে আজিমুল্লাহ খানের সাথে সম্পর্কিত
- খোলা থাকেঃ নামাজের সময় সর্বদা খোলা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ghagra+Khanbari+Mosque
৪। লোকনাথ মন্দির ও রঘুনাথ জিঁউ মন্দির
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ সদর শহরের মধ্যেই
- আকর্ষণীয় কেনঃ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী উপাসনালয়, পুরনো স্থাপত্য
- খোলা থাকেঃ সকাল-রাত (পূজার সময় বেশি সক্রিয়)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Loknath+Temple+Sherpur
৫। মাইসাহেবা জামে মসজিদ
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর, সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে
- দূরত্বঃ সদর শহরের মধ্যে
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক মসজিদ, বড় মিনার ও বিশাল নামাজের স্থান
- খোলা থাকেঃ ফজর-এশা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Maisaheba+Jame+Mosque
৬। হযরত শাহ কামালের মাজার
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর উপজেলা
- দূরত্বঃ সদর থেকে প্রায় ২-৩ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ সুফি সাধকের মাজার, ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shah+Kamal+Mazar+Sherpur
৭। দরবেশ জরিপ শাহের মাজার
- অবস্থানঃ শ্রীবরদী উপজেলা, গড়জরিপা এলাকা
- দূরত্বঃ সদর থেকে প্রায় ১০-১২ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ গড়জরিপার ইতিহাসের সাথে জড়িত সুফি সাধকের মাজার
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Jarip+Shah+Mazar
৮। শের আলী গাজীর মাজার
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর
- দূরত্বঃ সদর শহরের মধ্যে বা নিকটে
- আকর্ষণীয় কেনঃ শেরপুর নামকরণের সাথে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sher+Ali+Gazi+Mazar
৯। পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর বা আশেপাশের গ্রামাঞ্চল
- দূরত্বঃ সদর থেকে ৩-৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ জমিদারি আমলের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, ঐতিহাসিক আবাসন
- খোলা থাকেঃ সাধারণত দিনে (ব্যক্তিগত সম্পত্তি হতে পারে)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Poune+Tin+Ani+Zamindar+Bari
১০। শেরপুর জমিদার বাড়ি
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর
- দূরত্বঃ শহরের মধ্যেই
- আকর্ষণীয় কেনঃ পুরনো জমিদার বাড়ি, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থাপত্য
- খোলা থাকেঃ সকাল-সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sherpur+Zamindar+Bari
১১। ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর (ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপর)
- দূরত্বঃ সদর শহরের মধ্যে/সংলগ্ন
- আকর্ষণীয় কেনঃ নদীর মনোরম দৃশ্য, সূর্যাস্ত দেখার জন্য জনপ্রিয়
- খোলা থাকেঃ ২৪ ঘণ্টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Brahmaputra+Bridge+Sherpur
প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
১২। গজনী অবকাশ কেন্দ্র
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা, গজনী
- দূরত্বঃ শেরপুর সদর থেকে প্রায় ৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়ি বন, লেক, কৃত্রিম ঝর্ণা, ওয়াচ টাওয়ার
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Gajni+Obokash+Kendro
১৩। মধুটিলা ইকোপার্ক
- অবস্থানঃ নালিতাবাড়ী উপজেলা, মধুটিলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়ি বন, কেবল কার, ভিউ পয়েন্ট
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - বিকাল ৫টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Madhutila+Eco+Park
১৪। পানিহাটা-তারানি পাহাড়
- অবস্থানঃ শ্রীবরদী উপজেলা, পানিহাটা এলাকা
- দূরত্বঃ প্রায় ২৫-৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ছোট পাহাড়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নিরিবিলি পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Panihata+Tarani+Pahar
১৫। গারো পাহাড়
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী সীমান্ত অঞ্চল
- দূরত্বঃ প্রায় ৩০-৪০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ সবুজ পাহাড়, গারো আদিবাসী সংস্কৃতি, ট্রেকিং
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Garo+Hills+Sherpur
১৬। নয়াবাড়ির টিলা
- অবস্থানঃ নালিতাবাড়ী উপজেলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ উঁচু টিলা থেকে প্রাকৃতিক দৃশ্য, সূর্যাস্ত
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Noyabari+Tila
১৭। রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ পাহাড়ি ঝর্ণা, ট্রেকিং, বন্য প্রকৃতি
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Rajar+Pahar+Babelakona
১৮। সুতি নদী
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর ও আশেপাশে প্রবাহিত
- দূরত্বঃ শহরের মধ্যে
- আকর্ষণীয় কেনঃ নদীর শান্ত পরিবেশ, নৌকা ভ্রমণ
- খোলা থাকেঃ ২৪ ঘণ্টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Suti+River+Sherpur
১৯। সুতানাল দীঘি
- অবস্থানঃ শ্রীবরদী উপজেলা
- দূরত্বঃ প্রায় ২০-২৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বিশাল দীঘি, প্রাকৃতিক পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sutanol+Dighi
২০। নারায়ণখোলা শিমুল গাছ
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর, নারায়ণখোলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৫-৭ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বসন্তে লাল শিমুল ফুলে ভরা মনোরম দৃশ্য
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=NarayanKhola+Shimol+Tree
২১। পাথরিয়া রাবার বাগান
- অবস্থানঃ নালিতাবাড়ী উপজেলা, পাথরিয়া এলাকা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩০-৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ রাবার গাছের সারি, সবুজ প্রকৃতি
- খোলা থাকেঃ সকাল - বিকাল
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Patharia+Rubber+Garden
পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
২২। অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্ট
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ রিসোর্ট, সুইমিং, পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর উপযোগী
- খোলা থাকেঃ সকাল - রাত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Orchid+Tourist+Center+Sherpur
২৩। বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্ট
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা
- দূরত্বঃ প্রায় ৩০-৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বনভূমির মধ্যে রিসোর্ট, নিরিবিলি পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ ২৪ ঘণ্টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bonorani+Forest+Resort
২৪। মায়াকুঞ্জ
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর
- দূরত্বঃ শহরের মধ্যে
- আকর্ষণীয় কেনঃ পারিবারিক বিনোদন, বাগান ও বসার স্থান
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mayakunja+Sherpur
২৫। শ্যামলী পার্ক এন্ড রেস্টুরেন্ট
- অবস্থানঃ শেরপুর সদর
- দূরত্বঃ শহরের মধ্যে
- আকর্ষণীয় কেনঃ পার্ক ও খাবারের সুবিধা একসাথে
- খোলা থাকেঃ সকাল - রাত
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shyamoli+Park+Restaurant+Sherpur
২৬। শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক
- অবস্থানঃ শেরপুর পৌরসভা এলাকা
- দূরত্বঃ শহরের মধ্যে
- আকর্ষণীয় কেনঃ শহরের প্রধান পার্ক, পরিবার ও শিশুদের জন্য উপযোগী
- খোলা থাকেঃ সকাল ৬টা - রাত ৯টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shaheed+Daroga+Ali+Park
অন্যান্য স্থান
২৭। নাকুগাঁও স্থলবন্দর
- অবস্থানঃ ঝিনাইগাতী উপজেলা, নাকুগাঁও
- দূরত্বঃ প্রায় ৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্দর, সীমান্ত জীবন দেখার সুযোগ
- খোলা থাকেঃ অফিস সময় (সকাল - বিকাল)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nakugaon+Land+Port
শেরপুর জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার
১। মহিষের দুধের দই
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ শেরপুর সদর বাজার, বিশেষ করে চকবাজার ও আশেপাশের মিষ্টির দোকান
- কেন বিখ্যাতঃ ঘন ও ক্রিমি স্বাদ, মহিষের দুধের কারণে আলাদা ফ্লেভার
২। খাঁটি গরুর দুধের মিষ্টি (রসগোল্লা, সন্দেশ)
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ শেরপুর শহরের পুরাতন মিষ্টির দোকানগুলো
- কেন বিখ্যাতঃ টাটকা দুধ দিয়ে তৈরি, স্বাদে প্রাকৃতিক ও কম কেমিক্যালযুক্ত
৩। পিঠা (ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা)
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ শীতকালে গ্রামাঞ্চল ও শহরের অলিগলিতে, বিশেষ করে সন্ধ্যার বাজারে
- কেন বিখ্যাতঃ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী স্বাদ, খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি
৪। হাঁসের মাংস ভুনা
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ স্থানীয় হোটেল ও গ্রামীণ রেস্টুরেন্ট
- কেন বিখ্যাতঃ দেশি হাঁসের মাংস ও মশলার ঘন স্বাদ
৫। শুটকি ভর্তা
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ গ্রামীণ হোটেল বা স্থানীয় খাবারের দোকান
- কেন বিখ্যাতঃ ঝাল-মশলাদার স্বাদ, ভাতের সাথে জনপ্রিয়
৬। পাহাড়ি সবজি ও বাঁশকোঁড়ার তরকারি
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকায়
- কেন বিখ্যাতঃ গারো আদিবাসী খাবার, প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর
৭। দেশি মুরগির ঝোল
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ স্থানীয় হোটেল ও গ্রামাঞ্চলে
- কেন বিখ্যাতঃ দেশি মুরগির স্বাদ ও ঘরোয়া রান্নার স্টাইল
৮। গুড় (খেজুরের গুড়)
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ শীতকালে গ্রামাঞ্চল ও হাট-বাজার
- কেন বিখ্যাতঃ খাঁটি ও সুগন্ধি, পিঠা তৈরিতে ব্যবহৃত
৯। নদীর মাছ (টাটকা মাছ ভাজি/ঝোল)
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ ব্রহ্মপুত্র ও স্থানীয় নদীর পাশের বাজার ও হোটেল
- কেন বিখ্যাতঃ একদম টাটকা, স্বাদে আলাদা
১০। চা ও নাস্তা (স্থানীয় স্টাইল)
- কোথায় পাওয়া যায়ঃ রাস্তার পাশের চায়ের দোকান
- কেন বিখ্যাতঃ গ্রামীণ পরিবেশে চায়ের সাথে মুড়ি, চানাচুর, ডিমভাজি
সংক্ষেপে-শেরপুরের খাবারের মূল আকর্ষণ হলো গ্রামীণ স্বাদ, খাঁটি উপকরণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে তৈরি খাবার যা শহরের রেস্টুরেন্টের চেয়ে অনেক বেশি অরিজিনাল লাগে।
শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণ করবেন
১। পাহাড় ও প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য
শেরপুরের গারো পাহাড়, বনভূমি ও টিলাগুলো প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য অসাধারণ। বিশেষ করে গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকোপার্ক এর প্রাকৃতিক পরিবেশ মনকে প্রশান্ত করে।
২। নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশ
অন্যান্য জনপ্রিয় পর্যটন এলাকার মতো এখানে অতিরিক্ত ভিড় নেই। যারা শান্তভাবে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য আদর্শ জায়গা।
৩। ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন
শেরপুরে রয়েছে বহু পুরনো মসজিদ, মাজার ও ঐতিহাসিক স্থাপনা। যেমন গড়জরিপা বারদুয়ারী মসজিদ এবং হযরত শাহ কামালের মাজার যেগুলো ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৪। পাহাড়ি ও আদিবাসী সংস্কৃতি
গারো সম্প্রদায়ের জীবনযাপন, খাবার ও সংস্কৃতি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া যায় যা একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।
৫। কম খরচে ভ্রমণের সুযোগ
শেরপুরে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত খরচ তুলনামূলক কম, তাই বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য উপযোগী।
৬। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্রেকিং
পাহাড়ি এলাকা ও জঙ্গলে ট্রেকিং, হাইকিং করার সুযোগ আছে বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে।
শেরপুর জেলার ২৭টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
১। উন্নত পর্যটন সুবিধার অভাব
সব জায়গায় ভালো মানের হোটেল, রিসোর্ট বা রেস্টুরেন্ট নেই বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায়।
২। যাতায়াত কিছুটা কষ্টকর
ঢাকা থেকে সরাসরি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত, এবং অনেক জায়গায় রাস্তা এখনও পুরোপুরি উন্নত নয়।
৩। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সমস্যা
পাহাড়ি ও সীমান্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকতে পারে।
৪। নিরাপত্তা ও গাইডের প্রয়োজন
কিছু দুর্গম এলাকায় (বিশেষ করে পাহাড়ি ট্রেইল) গাইড ছাড়া যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
৫। চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতা
গ্রাম ও পাহাড়ি এলাকায় জরুরি চিকিৎসা সেবা দ্রুত পাওয়া কঠিন হতে পারে।
৬। মৌসুমি সমস্যা
বর্ষাকালে রাস্তা কাদা ও পিচ্ছিল হয়ে যায়, ফলে ভ্রমণ কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ রাজশাহী জেলার ২৩টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url