দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
সূচীপত্রঃ দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
- দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান
- প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান
- ১। কান্তজীর মন্দির
- ২। নয়াবাদ মসজিদ
- ৩। দিনাজপুর রাজবাড়ি
- ৪। সীতাকোট বিহার
- ৫। সুরা মসজিদ
- ৬। চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার
- ৭। গোবিন্দস্বামী মন্দির
- ৮। ঘোড়াঘাট দুর্গ
- ৯। ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বাড়ী
- ১০। রাজারামপুর রোজ মেরি চার্চ
- প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
- ১১। রামসাগর দিঘি / রামসাগর জাতীয় উদ্যান
- ১২। সুখ সাগর (ইকো পার্ক)
- ১৩। ধর্মপুর শালবন (বিরল)
- ১৪। মোহনপুর রাবার ড্যাম
- ১৫। লিচু বাগান
- পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
- ১৬। স্বপ্নপুরী (পিকনিক স্পট)
- ১৭। নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান
- ১৮। সিংড়া জাতীয় উদ্যান
- ১৯। বীরগঞ্জ জাতীয় উদ্যান
- ২০। শেখ রাসেল ন্যাশনাল পার্ক
- অন্যান্য স্থান
- ২১। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- ২২। দীপশিখা মেটি স্কুল
- ২৩। হিলি স্থলবন্দর
- ২৪। গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ
- ২৫। ঈদগাহ মাঠ
- ২৬। জিরো পয়েন্ট
- দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত খাবার ও কোথায় পাওয়া যায়
- দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণ করবেন
- দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
- শেষকথাঃ দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড
দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান
প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান
১। কান্তজীর মন্দির
- অবস্থানঃ কান্তনগর, কাহারোল উপজেলা
- দূরত্বঃ ~২০ কিমি (দিনাজপুর সদর থেকে)
- আকর্ষণীয় কেনঃ টেরাকোটা শিল্পে নির্মিত অনন্য হিন্দু মন্দির, সূক্ষ্ম কারুকাজ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Kantaji+Temple+Dinajpur
২। নয়াবাদ মসজিদ
- অবস্থানঃ কান্তনগর, কাহারোল উপজেলা
- দূরত্বঃ ~২১ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ মুঘল আমলের ছোট সুন্দর মসজিদ
- খোলা থাকেঃ সারাদিন (নামাজের সময় বেশি ভিড়)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nayabad+Mosque+Dinajpur
৩। দিনাজপুর রাজবাড়ি
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~২ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন রাজাদের বাসভবন, ঐতিহাসিক স্থাপত্য
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dinajpur+Rajbari
৪। সীতাকোট বিহার
- অবস্থানঃ নবাবগঞ্জ উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৫০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sitakot+Bihar
৫। সুরা মসজিদ
- অবস্থানঃ ঘোড়াঘাট উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৪৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sura+Mosque+Dinajpur
৬। চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~৩ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Chehelgazi+Mosque
৭। গোবিন্দস্বামী মন্দির
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~৩-৪ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Gobindaswami+Temple
৮। ঘোড়াঘাট দুর্গ
- অবস্থানঃ ঘোড়াঘাট উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৪৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন দুর্গ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ghoraghat+Fort
৯। ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বাড়ী
- অবস্থানঃ বীরগঞ্জ উপজেলা
- দূরত্বঃ ~২৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ জমিদার আমলের স্থাপত্য
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ghughudanga+Zamindar+Bari
১০। রাজারামপুর রোজ মেরি চার্চ
- অবস্থানঃ রাজারামপুর, দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ খ্রিস্টান ধর্মীয় স্থাপনা
- খোলা থাকেঃ সকাল - বিকাল
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Rajaram+Rose+Mary+Church
প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ
১১। রামসাগর জাতীয় উদ্যান
- অবস্থানঃ তাজপুর, দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~৮ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম দীঘি, বনাঞ্চল
- খোলা থাকেঃ সকাল ৬টা - সন্ধ্যা ৬টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ramsagar+National+Park
১২। সুখ সাগর (ইকো পার্ক)
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর (স্থানীয় এলাকা)
- দূরত্বঃ ~৬-৮ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ লেক, সবুজ পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sukh+Sagar+Dinajpur
১৩। ধর্মপুর শালবন
- অবস্থানঃ বিরল উপজেলা, ধর্মপুর ইউনিয়ন
- দূরত্বঃ ~২৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ শালবন, পিকনিক স্পট
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dharmapur+Salbon
১৪। মোহনপুর রাবার ড্যাম
- অবস্থানঃ বিরল উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ পানি প্রবাহ ও প্রকৃতি
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mohanpur+Rubber+Dam
১৫। লিচু বাগান
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর ও আশেপাশের এলাকা
- দূরত্বঃ ~৫-১৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ মৌসুমি লিচুর বাগান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
- খোলা থাকেঃ মৌসুমভেদে (মে-জুন)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dinajpur+Litchi+Garden
পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
১৬। স্বপ্নপুরী (পিকনিক স্পট)
- অবস্থানঃ আফতাবগঞ্জ, নবাবগঞ্জ উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৫২ কিমি জেলা সদর থেকে
- আকর্ষণীয় কেনঃ থিম পার্ক, ভাস্কর্য, পিকনিক স্পট, নৌকা ভ্রমণ
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ৮টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shopnopuri+Dinajpur
১৭। নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান
- অবস্থানঃ নবাবগঞ্জ উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৫০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বনাঞ্চল, বন্যপ্রাণী, পিকনিক স্পট
- খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nawabganj+National+Park+Dinajpur
১৮। সিংড়া জাতীয় উদ্যান
- অবস্থানঃ বিরল উপজেলা (সিংড়া বনাঞ্চল)
- দূরত্বঃ ~৩০-৩৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাকৃতিক বন, পিকনিক ও ঘোরাঘুরি
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Singra+National+Park
১৯। বীরগঞ্জ জাতীয় উদ্যান
- অবস্থানঃ বীরগঞ্জ উপজেলা
- দূরত্বঃ ~২৫-৩০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বনাঞ্চল, সবুজ পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল - সন্ধ্যা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Birganj+Park+Dinajpur
২০। শেখ রাসেল ন্যাশনাল পার্ক
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর (বা আশেপাশের এলাকা)
- দূরত্বঃ ~৫-১০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ আধুনিক পার্ক, পরিবারিক বিনোদন
- খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৭টা
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sheikh+Russel+Park+Dinajpur
অন্যান্য স্থান
২১। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- অবস্থানঃ বাসুনিয়া, দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~১০ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ সবুজ ক্যাম্পাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ
- খোলা থাকেঃ সকাল - বিকাল (অফিস সময়)
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=HSTU+Dinajpur
২২। দীপশিখা মেটি স্কুল
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~৫-৮ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কার্যক্রম
- খোলা থাকেঃ অফিস সময়
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dipshikha+METI+School
২৩। হিলি স্থলবন্দর
- অবস্থানঃ হিলি, হাকিমপুর উপজেলা
- দূরত্বঃ ~৬৫ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, বাণিজ্য কার্যক্রম
- খোলা থাকেঃ অফিস সময়
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Hili+Land+Port
২৪। গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ
- অবস্থানঃ দিনাজপুর শহর
- দূরত্বঃ ~২-৩ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক মাঠ, জাতীয় অনুষ্ঠান
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Gore+Shahid+Boro+Math
২৫। ঈদগাহ মাঠ
- অবস্থানঃ দিনাজপুর সদর
- দূরত্বঃ ~২-৪ কিমি
- আকর্ষণীয় কেনঃ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানস্থল
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Eidgah+Field+Dinajpur
২৬। জিরো পয়েন্ট
- অবস্থানঃ দিনাজপুর শহরের কেন্দ্র
- দূরত্বঃ ০ কিমি (শহরের কেন্দ্রবিন্দু)
- আকর্ষণীয় কেনঃ শহরের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন, মিলনকেন্দ্র
- খোলা থাকেঃ সারাদিন
- লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Zero+Point+Dinajpur
দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত খাবার ও কোথায় পাওয়া যায়
১। লিচু (দিনাজপুরের বিখ্যাত ফল)
• বিবরণঃ দিনাজপুরের লিচু সারা বাংলাদেশে বিখ্যাত মিষ্টি, রসালো ও সুগন্ধযুক্ত
• কোথায় পাওয়া যায়:
- দিনাজপুর সদর এলাকার লিচু বাগান
- বিরল, বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলায়
• সেরা সময়ঃ মে - জুন
২। দিনাজপুরের কাচ্চি ও বিরিয়ানি
• বিবরণঃ সুগন্ধি চাল, মাংস ও মসলার বিশেষ রান্না
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- দিনাজপুর শহর এর বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
৩। পিঠা (ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা)
• বিবরণঃ ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পিঠা, বিশেষ করে শীতকালে জনপ্রিয়
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- গ্রামীণ হাট ও দিনাজপুর সদর বাজার
৪। দেশি মাছের ভর্তা ও তরকারি
• বিবরণঃ টেংরা, শিং, মাগুরসহ বিভিন্ন দেশি মাছ দিয়ে তৈরি
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- রামসাগর জাতীয় উদ্যান আশেপাশের খাবারের দোকান
- স্থানীয় হোটেল
৫। গরুর মাংস ভুনা
• বিবরণঃ মসলাদার ও ঘন ঝোলের ঐতিহ্যবাহী রান্না
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- শহরের রেস্টুরেন্ট ও হোটেল
৬। মিষ্টি দই
• বিবরণঃ ঘন দুধ দিয়ে তৈরি সুস্বাদু দই
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- দিনাজপুর শহর এর মিষ্টির দোকান
৭। রসমালাই ও ছানার মিষ্টি
• বিবরণঃ দুধ ও ছানার তৈরি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- স্থানীয় মিষ্টির দোকান
৮। মুড়ি-মাখা ও ঝালমুড়ি
• বিবরণঃ হালকা নাস্তা, রাস্তার পাশে জনপ্রিয়
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- শহরের রাস্তার পাশ ও বাজার
৯। হাঁসের মাংস ভুনা
• বিবরণঃ গ্রামীণ স্বাদের বিশেষ খাবার
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- গ্রামাঞ্চল ও স্থানীয় খাবারের হোটেল
১০। খেজুরের গুড় ও গুড়ের মিষ্টি
• বিবরণঃ শীতকালীন ঐতিহ্যবাহী খাবার
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- গ্রামীণ বাজার ও হাট
১১। দেশি মুরগির ঝোল
• বিবরণঃ গ্রামবাংলার স্বাদের জনপ্রিয় খাবার
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- স্থানীয় হোটেল ও গ্রামাঞ্চল
১২। চা ও দুধ চা
• বিবরণঃ ঘন দুধ চা, রাস্তার পাশে জনপ্রিয়
• কোথায় পাওয়া যায়ঃ
- শহরের চায়ের দোকান
ভ্রমণ টিপস
- লিচু খেতে চাইলে অবশ্যই মৌসুমে (মে–জুন) ভ্রমণ করুন
- গ্রামীণ এলাকায় গেলে আসল দেশি স্বাদের খাবার পাওয়া যায়
- মিষ্টির জন্য শহরের পুরনো দোকানগুলো বেশি ভালো
সংক্ষেপেঃ দিনাজপুর শুধু দর্শনীয় স্থানেই নয় খাবারের বৈচিত্র্যেও সমৃদ্ধ। এখানে ভ্রমণে গেলে স্থানীয় খাবারগুলো অবশ্যই ট্রাই করা উচিত।
দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণ করবেন
১। ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সমৃদ্ধি
দিনাজপুর জেলায় রয়েছে বহু প্রাচীন নিদর্শন। যেমন কান্তজীর মন্দির, সীতাকোট বিহার ইত্যাদি যা ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়।
২। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও শান্ত পরিবেশ
রামসাগর জাতীয় উদ্যান, শালবন ও সবুজ গ্রামীণ পরিবেশ ভ্রমণকারীদের মানসিক প্রশান্তি দেয়।
৩। বিনোদন ও পারিবারিক ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত
স্বপ্নপুরী এবং অন্যান্য পার্কগুলো পরিবারসহ ভ্রমণের জন্য দারুণ জায়গা।
৪। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য
এখানে মসজিদ, মন্দির, চার্চসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনা রয়েছে, যা বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি তুলে ধরে।
৫। বিখ্যাত লিচু ও স্থানীয় খাবারের স্বাদ
দিনাজপুরের লিচু দেশের অন্যতম সেরা। এছাড়া দেশি খাবার ও মিষ্টির স্বাদ ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
দিনাজপুর জেলার ২৬টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা
১। পর্যটন সুবিধার সীমিততা
অনেক দর্শনীয় স্থানে এখনও উন্নত পর্যটন সুবিধা (রেস্টুরেন্ট, গাইড, টয়লেট) কম।
২। যাতায়াত ব্যবস্থা কিছু ক্ষেত্রে দুর্বল
দূরবর্তী এলাকা যেমন গ্রাম বা বনাঞ্চলে যেতে স্থানীয় যানবাহনের উপর নির্ভর করতে হয়।
৩। হোটেল ও আবাসনের সীমাবদ্ধতা
উন্নত মানের হোটেল সংখ্যা তুলনামূলক কম, বিশেষ করে পর্যটন স্পটের কাছাকাছি।
৪। মৌসুমভিত্তিক ভ্রমণ সমস্যা
বর্ষাকালে কিছু রাস্তা কাদাময় হয়ে যায় ফলে যাতায়াতে অসুবিধা হয়।
৫। তথ্য ও গাইডের অভাব
অনেক জায়গার সঠিক তথ্য বা সাইনবোর্ড না থাকায় নতুন ভ্রমণকারীদের জন্য সমস্যা হতে পারে।
সংক্ষেপে-দিনাজপুর ভ্রমণ মানে ইতিহাস, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির এক চমৎকার সমন্বয়। কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা করলে এই জেলা আপনাকে দেবে একটি অসাধারণ ও স্মরণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুনঃ নাটোর জেলার ২৫টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url