রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল-যেগুলো ছাড়া রোজা অসম্পন্ন
সূচীপত্রঃ রমজান মাসে করণীয় ১৩ টি আমল-যেগুলো ছাড়া রোজা অসম্পন্ন
রোজা বলতে কী বোঝায়?
রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল সম্মন্ধে জানার আগে রোজা কি আগে জানা প্রয়োজন। রোজা (সিয়াম) বলতে শরিয়তের পরিভাষায় বোঝায়-আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, যৌন সম্পর্ক এবং রোজা ভঙ্গকারী সব কাজ থেকে বিরত থাকা, সেই সঙ্গে অন্তর ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে গুনাহ থেকে সংযত রাখা। অর্থাৎ রোজা শুধু না খেয়ে থাকা নয় বরং যে বিষয়গুলো রোজার অন্তর্ভূক্ত তা হল-
• মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকা• গীবত ও অশ্লীল কথা পরিহার করা• চোখ, কান ও মনকে হারাম থেকে রক্ষা করা, ইত্যাদি
আমল বলতে কি বোঝায়?
আমল বলতে বোঝায়-আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী করা সব কথা, কাজ ও আচরণ। আমলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হল-
• ফরজ ইবাদত (নামাজ, রোজা, যাকাত)• সুন্নত ও নফল ইবাদত• যিকর, দোয়া, তিলাওয়াত• দান-সাদাকা• ভালো চরিত্র ও উত্তম ব্যবহার• হালাল উপার্জন ও হারাম থেকে বেঁচে থাকা• মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করাও একটি নেক আমল।
রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল-যেগুলো ছাড়া রোজা অসম্পূর্ণ থেকে যায়
রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল সম্মন্ধে জানা একজন রোজাদারের জন্য অপরিহায্য। রমজান মাস হলো তাকওয়া অর্জনের মাস, আত্মশুদ্ধির মাস এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বোত্তম সময়। এই মাসে শুধু না খেয়ে থাকা বা পানাহার থেকে বিরত থাকাই রোজা নয় বরং ঈমান, আমল ও চরিত্র সব কিছুর সমন্বয়ই হলো পরিপূর্ণ রোজা। নিচে রমজানে করণীয় এমন ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ আমল বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো-
১। ঈমানকে বিশুদ্ধ করা
রমজানের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হলো ঈমান বিশুদ্ধ করা। ঈমান বিশুদ্ধ না হলে নামাজ, রোজা, দান-সাদাকা সব আমলই অর্থহীন হয়ে যায়। তাই শিরক, বিদআত ও ভ্রান্ত আকিদা থেকে নিজেকে মুক্ত রেখে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে ঈমানকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
২। আমলে ইখলাস বা একনিষ্ঠতা অর্জন
সব আমল হতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। মানুষকে দেখানোর জন্য, প্রশংসা পাওয়ার আশায় কিংবা সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা আমল আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। রমজান আমাদের শেখায় আমল হবে শুধু “লিল্লাহ”।
৩। সিয়াম বা রোজা পালন
রমজানের মূল ইবাদত হলো সিয়াম পালন। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মিথ্যা, গীবত, অশ্লীল কথা, হারাম দৃষ্টি ইত্যাদি থেকেও নিজেকে সংযত রাখতে হবে। তাহলেই রোজা হবে পূর্ণাঙ্গ।
৪। সুন্নত ও নফল ইবাদত বেশি করা
রমজানে ফরজের পাশাপাশি সুন্নত ও নফল ইবাদতের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। যেমন-সাহরী খাওয়া, সময়মতো ইফতার করা, নফল নামাজ, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি আমল বেশি বেশি করার চেষ্টা করতে হবে।
৫। মানুষকে ইফতার করানো
রমজানের একটি ফজিলতপূর্ণ আমল হলো রোজাদারকে ইফতার করানো।
রাসূল ﷺ বলেছেন “যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে ঐ রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, অথচ রোজাদারের সওয়াবে কোনো কমতি হবে না”। অল্প কিছু দিয়েও এই সওয়াব অর্জন করা সম্ভব।
৬। ইফতার শুরু করা সুন্নাহ অনুযায়ী
ইফতার শুরু করতে হবে “বিসমিল্লাহ” বলে। প্রচলিত “আল্লাহুম্মা শুনতু লাকা…” দোয়াটি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। রমজানের প্রতিটি ইবাদতে আমাদের অবশ্যই সহীহ সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে, আবেগ বা প্রচলনের ভিত্তিতে নয়।
৭। বেশি বেশি কিয়ামে রমাদান আদায়
কিয়ামে রমাদান (তারাবি/নফল রাতের নামাজ) ৮ বা ২০ রাকাতে সীমাবদ্ধ নয়। স্কলারদের মতে-যত বেশি সময়, যত সুন্দর কিরআতে এবং যত মনোযোগ সহকারে পড়া যায় তাই উত্তম। এশার পর থেকে ফজর পর্যন্ত সব নফল নামাজই কিয়ামে রমাদানের অন্তর্ভুক্ত।
৮। কুরআনুল কারীম তিলাওয়াত ও তাফসির অধ্যয়ন
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত, অর্থ বোঝার চেষ্টা এবং তাফসির অধ্যয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যাদের তিলাওয়াত শুদ্ধ নয় তাদের অবশ্যই এই মাসে আলেমদের কাছে শুদ্ধভাবে কুরআন পড়া শেখা উচিত।
৯। আল্লাহর যিকর ও দোয়া করা
রমজানে আল্লাহর রহমত অবারিত থাকে। তাই তাসবিহ, তাহমিদ, তাকবির, দরুদ ইত্যাদি নিজের ও উম্মাহর জন্য বেশি বেশি দোয়া করতে হবে।
১০। সাদাকা ও যাকাত আদায়
রমজান হলো দান-সাদাকার মাস। এই মাসে-ফরজ যাকাত আদায়, নফল দান, গরিব-দুঃখীদের সাহায্য ইত্যাদি আমলের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
১১। শেষ দশকে ইতিকাফ করা
রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। নারী ও পুরুষ উভয়েই ইতিকাফ করতে পারবে তবে ইতিকাফ অবশ্যই মসজিদে হতে হবে। নারীদের ঘরে ইতিকাফ করার বিষয়টি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
১২। বেশি বেশি ইস্তিগফার করা
রমজান হলো ক্ষমা পাওয়ার মাস। নিজের সব গুনাহের জন্য অনুশোচনা, তাওবা এবং ইস্তিগফার বেশি বেশি করতে হবে। আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন।
১৩। হালাল উপার্জন নিশ্চিত করা
হালাল উপার্জন ছাড়া কোনো ইবাদতই আল্লাহর কাছে কবুল হয় না। হারাম উপার্জন দ্বারা দোয়া কবুল হয় না ফলে আমল বরবাদ হয়ে যায় তাই রমজানে বিশেষভাবে হালাল রিজিকের প্রতি যত্নবান হতে হবে।
রমজান শুধু একটি মাস নয় বরং এটি একটি আত্মগঠনের প্রশিক্ষণকাল। এই ১৩টি আমল আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে পারলে-
• রোজা হবে পূর্ণাঙ্গ• ঈমান হবে শক্তিশালী• আল্লাহর নৈকট্য অর্জন সহজ হবে
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো সঠিকভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন আমিন।
রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল কেন গুরুত্বপূর্ণ
দ্বিতীয়ত, অবশ্য করণীয় আমলগুলো বান্দার গুনাহ মাফের প্রধান মাধ্যম। রমজান হলো ক্ষমা ও মাগফিরাতের মাস। এই মাসে ফরজ ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা হওয়ার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। কিন্তু করণীয় আমলগুলো অবহেলা করলে এই মহামূল্যবান সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়।
তৃতীয়ত, রমজানের আমলগুলো মানুষকে আত্মসংযম ও নৈতিক চরিত্রে অভ্যস্ত করে। রোজা মানুষকে ধৈর্য, সহনশীলতা, সত্যবাদিতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ শিক্ষা দেয়। এসব গুণ একজন মুমিনের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
চতুর্থত, রমজানের করণীয় আমলগুলো সমাজে সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। সাদাকা, যাকাত, ইফতার করানো ও সহযোগিতার মাধ্যমে ধনী-গরিবের ব্যবধান কমে এবং সমাজে মানবিকতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়।
রোজার মাসে বর্জনীয় ৩টি কাজ বা আমল
রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি ও চরিত্র গঠনের মাস। এই মাসে শুধু কিছু কাজ করা নয় বরং অনেক ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকাও রোজার অপরিহার্য অংশ। রোজাদার যদি কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকে কিন্তু চরিত্র ও আচরণে সংযম না আনে তবে তার রোজা পূর্ণতা লাভ করে না। নিচে রোজার মাসে যেসব কাজ অবশ্যই বর্জন করা উচিত তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো-
১। কাওলে জোর ও কাওলে আমল পরিহার করা (মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আমল)
রোজার মাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বর্জনীয় কাজ হলো মিথ্যা কথা (কাওলে জোর) এবং মিথ্যা কাজ বা ভণ্ডামি (কাওলে আমল) থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা। রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে বলেছেন “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কাজ পরিহার করে না তার শুধু না খেয়ে থাকা আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই”। এ কারণে রমজানে বিশেষভাবে বর্জন করতে হবে
• মিথ্যা বলা• গীবত করা• চুগলখোরি করা• কারও প্রতি ঠাট্টা-বিদ্রুপ ও উপহাস করা• কাউকে তুচ্ছ করা• গালি-গালাজ করা• কটু ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করা
এগুলো শুধু গুনাহই নয় বরং রোজার আত্মাকে ধ্বংস করে দেয়। রমজানের শিক্ষা হলো অপমানের জবাবে অপমান নয় বরং ধৈর্য ও ক্ষমা। কেউ রোজাদারকে কটু কথা বললে বা ঝগড়া করতে চাইলে উত্তম হলো বলা “আমি রোজাদার, আমি তাকে মাফ করে দিলাম।”
২। রমজান মাসে বিদআতী কাজ থেকে বিরত থাকা
রমজানে অনেক সময় আবেগ ও অজ্ঞতার কারণে এমন কিছু কাজ করা হয়, যেগুলো কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। এগুলোকে বিদআত বলা হয়, আর বিদআত ইবাদতকে নষ্ট করে দেয়। রমজানে ইবাদতের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে
• আবেগ নয়, দলিলই গ্রহণযোগ্য• প্রচলন নয়, সুন্নাহই অনুসরণীয়
নতুন কোনো ইবাদত সৃষ্টি করা, নির্দিষ্ট দিন বা রাতে নির্দিষ্ট আমলকে ফরজ বা বিশেষ সওয়াবের দাবি করা এসব থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ আল্লাহ শুধু সেই আমলই কবুল করেন, যা ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণে করা হয়।
৩। হিংসা-বিদ্বেষ ও কঠোরতা বর্জন করে সহানুভূতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
রমজান মাস হিংসা, বিদ্বেষ ও আত্মকেন্দ্রিকতা বর্জনের মাস। এই মাসে একজন মুসলমানের উচিত-
• একে অপরের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া• সহানুভূতিশীল হওয়া• গরিব, অসহায় ও বিপদগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো• মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা
কারণ রমজান আমাদের শেখায় নিজে শুধু ভালো থাকা নয় বরং অন্যকেও ভালো রাখতে চেষ্টা করা। সমাজে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করাই রোজার অন্যতম শিক্ষা। অতএব রমজানে শুধু করণীয় আমলেই নয়, বরং বর্জনীয় কাজ থেকেও নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সংযত রাখাই হলো সফল রোজার প্রকৃত চাবিকাঠি ইনশাআল্লাহ।
রোজার মাসে বর্জনীয় কাজ বা আমল কেন গুরুত্বপূর্ণ
প্রথমত, বর্জনীয় কাজগুলো থেকে বিরত থাকা রোজার গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। রোজা শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয়। মিথ্যা কথা, গীবত, চুগলখোরি, গালি-গালাজ, অপমান ও অশালীন আচরণ রোজার সওয়াব নষ্ট করে দেয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আমল পরিহার করে না, তার শুধু খানাপিনা থেকে বিরত থাকার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। তাই এসব গুনাহ বর্জন করা রোজার মূল শর্তের অংশ।
দ্বিতীয়ত, বর্জনীয় আমল থেকে বিরত থাকা আত্মসংযম ও তাকওয়া অর্জনের প্রধান মাধ্যম। রোজা মানুষকে নিজের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়। যদি একজন রোজাদার জিহ্বা, চোখ, কান ও হাতকে গুনাহ থেকে সংযত রাখতে না পারে, তবে রোজার শিক্ষা বাস্তবে প্রয়োগ হয় না।
তৃতীয়ত, বিদআত ও ভ্রান্ত আমল বর্জন করা ইবাদতকে সঠিক ও কবুলযোগ্য রাখে। রমজান মাসে আবেগের বশবর্তী হয়ে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহবিরোধী কোনো কাজ করলে তা ইবাদত নষ্ট করে দিতে পারে। তাই রমজানে সব আমল সুন্নাহ অনুযায়ী হওয়া জরুরি।
শেষকথাঃ রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল-যেগুলো ছাড়া রোজা অসম্পন্ন
রমজান মাসে করণীয় ১৩টি আমল রমজান সম্মন্ধে জানা মুমিন বান্দাদের জন্য আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং গুনাহ মাফের এক অতুলনীয় সুযোগ। ঈমানের বিশুদ্ধতা ও ইখলাসের মাধ্যমে আমলের ভিত্তি মজবুত হয়। সিয়াম, কিয়ামে রমাদান, কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, দোয়া ও ইস্তিগফার অন্তরকে আলোকিত করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করে। সুন্নাহ অনুসরণ, দান-সাদাকা ও ইফতার করানোর মতো আমল সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠা করে। আবার ইতিকাফ বান্দাকে দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে মুক্ত করে পুরোপুরি আল্লাহমুখী করে তোলে। সর্বোপরি হালাল উপার্জনের গুরুত্ব আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় পবিত্র জীবনযাপন ছাড়া কোনো ইবাদতই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
অতএব যদি একজন মুমিন এই ১৩টি আমল আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে পারে আর বর্জনীয় আমল থেকে বিরত হয় তবে তার রোজা হবে পরিপূর্ণ, আমল হবে কবুলযোগ্য এবং রমজান হবে তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার এক বরকতময় অধ্যায় ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন-আমিন।

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url