গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান সব মিলিয়ে গাজীপুর জেলা বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য, যা রাজধানী ঢাকার খুব কাছাকাছি হওয়ায় উইকএন্ড ভ্রমণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এখানে একদিকে যেমন রয়েছে সবুজ বনভূমি ও জাতীয় উদ্যান, তেমনি আছে আধুনিক রিসোর্ট, সাফারি পার্ক, লেক, ঐতিহাসিক রাজবাড়ী ও ধর্মীয় স্থাপনা। প্রকৃতি ও বিনোদনের এমন বৈচিত্র্য গাজীপুরকে করেছে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন জোন।
গাজীপুর-জেলার-৩৮টি-সেরা-দর্শনীয়-স্থান-লোকেশনসহ-ভ্রমন-গাইড
এই আর্টিকেলে গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে সহায়তা করবে এবং আপনার সফরকে করবে আরও সহজ, সুন্দর ও স্মরণীয়।

সূচিপত্রঃ গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড

গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান

প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান

১। একডালা দুর্গ

  • অবস্থানঃ কালিয়াকৈর/গাজীপুর অঞ্চলের ঐতিহাসিক এলাকা 
  • দূরত্বঃ গাজীপুর সদর থেকে প্রায় ২০-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন মুসলিম শাসনামলের দুর্গের ধ্বংসাবশেষ, ইতিহাসভিত্তিক স্থান 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন উন্মুক্ত 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ekdala+Fort+Bangladesh 

২। বক্তারপুর ঈশা খাঁর মাজার

  • অবস্থানঃ নারায়ণগঞ্জ/গাজীপুর সংলগ্ন অঞ্চল 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বারো ভূঁইয়ার নেতা ঈশা খাঁর স্মৃতিসংলগ্ন মাজার 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৬টা - রাত ৮টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Isha+Khan+Mazar+Bangladesh 

৩। বলিয়াদী জমিদার বাড়ী

  • অবস্থানঃ গাজীপুর জেলার শ্রীপুর/কালিয়াকৈর এলাকা 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন জমিদারি স্থাপত্য ও ইতিহাস 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Baliadi+Zamindar+House 

৪। ভাওয়াল রাজবাড়ী

  • অবস্থানঃ গাজীপুর সদর 
  • দূরত্বঃ ০-৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ভাওয়াল রাজাদের ঐতিহাসিক প্রাসাদ ও স্থাপত্য 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bhawal+Rajbari+Gazipur 

৫। ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী

  • অবস্থানঃ ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন এলাকা 
  • দূরত্বঃ ৫-১৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক শ্মশান ও রাজপরিবারের স্মৃতি 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bhawal+Shmashaneshwari 

৬। শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি

  • অবস্থানঃ কালিয়াকৈর, গাজীপুর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ধ্বংসপ্রায় জমিদারি প্রাসাদ ও ঐতিহাসিক কাঠামো 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sriphaltoli+Zamindar+House 

৭। শাহ আউলিয়ার মাজার

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/সাভার সংলগ্ন এলাকা 
  • দূরত্বঃ ২০-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ আধ্যাত্মিক কেন্দ্র, ধর্মীয় গুরুত্ব 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shah+Aulia+Mazar+Bangladesh 

৮। শাহ কারফরমা আউলিয়ার মাজার ও দীঘি

  • অবস্থানঃ গাজীপুর জেলা 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ মাজার ও প্রাচীন দীঘির সংমিশ্রণ 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shah+Karfarma+Aulia+Mazar 

৯। শাহ পালোয়ান গাজীর মাজার

  • অবস্থানঃ গাজীপুর জেলার গ্রামীণ এলাকা 
  • দূরত্বঃ ১৫-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ লোক-ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের কেন্দ্র 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Shah+Paloan+Gazi+Mazar 

১০। হযরত নবী শাহ (রঃ) এর দরগা

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/সাভার সংলগ্ন 
  • দূরত্বঃ ২০-৩৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ধর্মীয় জিয়ারত স্থান, শান্ত পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nabi+Shah+Dargah 

প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশ

১১। বেলাই বিল

  • অবস্থানঃ গাজীপুর সদর/শ্রীপুর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বিশাল জলাভূমি, পাখি, নৌকা ভ্রমণ 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Belai+Bill+Gazipur 

১২। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান

  • অবস্থানঃ গাজীপুর সদর 
  • দূরত্বঃ ৫-১৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বন, বন্যপ্রাণী, ট্রেকিং ও ইকো ট্যুরিজম 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bhawal+National+Park 

১৩। ধনপুর বনভূমি

  • অবস্থানঃ গাজীপুর জেলার গ্রামীণ এলাকা 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ সবুজ বন, পিকনিক স্পট 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dhanpur+Forest+Gazipur 

১৪। জল ও জঙ্গলের কাব্য

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ইকো ট্যুরিজম, প্রকৃতি ও লেক 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Jol+O+Jongoler+Kabbo+Gazipur 

১৫। মখশবিল (কালিয়াকৈর)

  • অবস্থানঃ কালিয়াকৈর উপজেলা 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Mokshabil+Kaliakoir 

১৬। ন্যাশনাল পার্ক

  • অবস্থানঃ গাজীপুর (ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের অংশ) 
  • দূরত্বঃ ৫-১৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বন ও পিকনিক স্পট 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=National+Park+Gazipur 

১৭। সাটুরিয়া মখশবিল (কালিয়াকৈর)

  • অবস্থানঃ কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ জলাশয়, পাখি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সারাদিন 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Saturia+Mokshabil 

পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র (রিসোর্ট/ইকো পার্ক)

১৮। অঙ্গনা রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর এলাকা 
  • দূরত্বঃ জেলা সদর থেকে ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ, পিকনিক ও ফ্যামিলি ট্রিপ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Angona+Resort+Bangladesh 

১৯। আনন্দ পার্ক রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর সদর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ রাইড, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, সবুজ পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Ananda+Park+Resort+Gazipur 

২০। আরশিনগর হলিডে রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/সাভার সংলগ্ন 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ কটেজ, লেক ভিউ, প্রাকৃতিক পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ৮টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Arshinagar+Holiday+Resort 

২১। ছুটি রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/শ্রীপুর এলাকা 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ পারিবারিক রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, খোলা মাঠ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৭টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Chuti+Resort+Gazipur 

২২। জলেশ্বরী রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ লেক, কটেজ, সবুজ পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ৮টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Jaleshwari+Resort 

২৩। ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর সদর 
  • দূরত্বঃ ৫-১৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ওয়াটার পার্ক, রাইড, পরিবারিক বিনোদন 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Dream+Square+Resort+Gazipur 

২৪। দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প, ন্যাচার এক্টিভিটি 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=The+Base+Camp+Bangladesh 

২৫। নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/শ্রীপুর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাকৃতিক রিসোর্ট, ফটো স্পট 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nokshtrabari+Resort 

২৬। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ইকো ট্যুরিজম, লেক ভিউ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Rajendra+Eco+Resort 

২৭। রিভেরি হলিডে রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ নদীর ধারে কটেজ, শান্ত পরিবেশ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ৮টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Riverry+Holiday+Resort 

২৮। সাহেব বাড়ি রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/শ্রীপুর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহ্যবাহী স্টাইল রিসোর্ট, পিকনিক স্পট 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sahib+Bari+Resort 

২৯। সারাহ রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বিলাসবহুল কটেজ, লেক ভিউ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - রাত ৮টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sarah+Resort+Gazipur 

৩০। সীগাল রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ওয়াটার রাইড, পার্ক, পিকনিক সুবিধা 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ১০টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Seagull+Resort+Gazipur 

৩১। সোহাগ পল্লী

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/শ্রীপুর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ শিশুদের বিনোদন, পিকনিক স্পট 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sohag+Palli+Gazipur 

৩২। স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-২৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ লেক, পাহাড়ি থিম, রিসোর্ট ভিউ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Spring+Valley+Resort 

৩৩। আপন ভুবন পিকনিক এন্ড শুটিং স্পট

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/কালিয়াকৈর 
  • দূরত্বঃ ১৫-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ শুটিং স্পট, পিকনিক ও ইভেন্ট জোন 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - সন্ধ্যা ৬টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Apon+Vubon+Picnic+Spot 

অন্যান্য স্থান (ধর্মীয়, শিক্ষা ও বিশেষ স্থান)

৩৪। নাগরী গীর্জা

  • অবস্থানঃ গাজীপুর জেলার নাগরী এলাকা 
  • দূরত্বঃ ২০-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ ঐতিহাসিক খ্রিস্টান চার্চ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nagori+Church+Gazipur 

৩৫। নাগরী সেন্ট নিকোলাস চার্চ

  • অবস্থানঃ নাগরী, গাজীপুর 
  • দূরত্বঃ ২০-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রাচীন ইউরোপীয় স্থাপত্য চার্চ 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৮টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=St+Nicholas+Church+Nagori 

৩৬। সফিপুর আনসার একাডেমী

  • অবস্থানঃ সফিপুর, গাজীপুর 
  • দূরত্বঃ ১০-২০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিশাল ক্যাম্পাস 
  • খোলা থাকেঃ সীমিত প্রবেশ (অনুমতি সাপেক্ষে) 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Sofipur+Ansar+Academy 

৩৭। বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

  • অবস্থানঃ গাজীপুর শ্রীপুর 
  • দূরত্বঃ ২০-৩০ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ বন্যপ্রাণী, সাফারি জোন, চিড়িয়াখানা 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Bangabandhu+Safari+Park+Gazipur 

৩৮। নুহাশ পল্লী

  • অবস্থানঃ গাজীপুর/পিরুজালী 
  • দূরত্বঃ ২০-৩৫ কিমি 
  • আকর্ষণীয় কেনঃ হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিবিজড়িত প্রকৃতি ও বাড়ি 
  • খোলা থাকেঃ সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা 
  • লোকেশনঃ https://maps.google.com/?q=Nuhash+Palli+Gazipur 

গাজীপুর জেলার বিখ্যাত খাবার ও লোকেশন গাইড

১। দেশি মাছ ভুনা ও ভর্তা (রুই, কাতলা, পাবদা, শিং ইত্যাদি)

  • কেন বিখ্যাতঃ গাজীপুরের গ্রামীণ এলাকা ও বিল-নদী থেকে তাজা মাছ পাওয়া যায় 
  • খাওয়ার সেরা জায়গাঃ 
    • মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট (উলুখোলা, গাজীপুর) 
    • স্থানীয় “ভাতের হোটেল” (শ্রীপুর, জয়দেবপুর বাজার) 
    • নদী-ঘেঁষা ছোট রেস্টুরেন্টগুলো 

২। দেশি মুরগি ভুনা / হাঁস ভুনা

  • কেন বিখ্যাতঃ খোলা পরিবেশে মাটির চুলায় রান্না করা ঐতিহ্যবাহী স্বাদ 
  • খাওয়ার জায়গাঃ 
    • মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট 
    • গ্রামীণ পিকনিক স্পট রিসোর্টগুলো (যেমন ভাওয়াল ও কালিয়াকৈর এলাকা) 

৩। ভাত-ভর্তা কম্বো (ভর্তা উৎসব)

  • কেন বিখ্যাতঃ ১০-৬০ ধরনের ভর্তা পাওয়া যায় (আলু, বেগুন, শুঁটকি, ডিম ভর্তা) 
  • খাওয়ার জায়গাঃ 
    • মাটির ঘর রেস্টুরেন্ট 
    • স্থানীয় গ্রামীণ হোটেল ও পারিবারিক রেস্টুরেন্ট 

৪। ফুচকা, চটপটি, মোমো, ঝালমুড়ি (স্ট্রিট ফুড)

  • কেন বিখ্যাতঃ গাজীপুর শহর ও কলেজ এলাকায় জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড কালচার 
  • খাওয়ার জায়গাঃ 
    • জয়দেবপুর চৌরাস্তা 
    • কলেজ গেট এলাকা 
    • শ্রীপুর বাজার ও সন্ধ্যাকালীন স্ট্রিট ফুড স্টল 

৫। কাচ্চি ও বিরিয়ানি

  • কেন বিখ্যাতঃ ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় স্পেশাল কাচ্চি স্টাইল জনপ্রিয় 
  • খাওয়ার জায়গাঃ 
    • জাফরান কাচ্চি হাউস (জয়দেবপুর) 
    • কানিজ বিরিয়ানি হাউস 
    • লোকাল রেস্টুরেন্ট ও ফুডকোর্ট 

৬। পিঠা ও দেশীয় মিষ্টান্ন

  • কেন বিখ্যাতঃ শীতকালে গুড়, নারকেল ও দুধের পিঠা জনপ্রিয় 
  • খাওয়ার জায়গাঃ 
    • স্থানীয় হাট-বাজার (কালিয়াকৈর, শ্রীপুর) 
    • মৌসুমি পিঠা স্টল 
    • জয়দেবপুর মিষ্টির দোকান 

সংক্ষেপে

  • গাজীপুরের খাবারের বৈশিষ্ট্য হলো-
  • গ্রামীণ দেশি মাছ ও ভর্তা 
  • স্ট্রিট ফুড কালচার (ফুচকা, চটপটি) 
  • কাচ্চি ও বিরিয়ানি 
  • রিসোর্টভিত্তিক দেশি খাবার অভিজ্ঞতা 

গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান কেন ভ্রমণ করতে যাব

গাজীপুর জেলা বাংলাদেশের রাজধানীর খুব কাছাকাছি হওয়ায় এটি একটি জনপ্রিয় উইকএন্ড ও ডে-ট্রিপ ডেস্টিনেশন। এখানে একসাথে পাওয়া যায় বন, জাতীয় উদ্যান, সাফারি পার্ক, রিসোর্ট, নদী ও ঐতিহাসিক স্থাপনা।

১। প্রকৃতি ও বনভূমির আকর্ষণ

  • ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান 
  • বেলাই বিল 
  • ধনপুর বনভূমি 
  • সবুজ বন, পাখি, ট্রেকিং ও প্রকৃতির শান্ত পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ।

২। বন্যপ্রাণী ও অ্যাডভেঞ্চার অভিজ্ঞতা

  • বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক 
  • বাঘ, হরিণ, জিরাফসহ বিভিন্ন প্রাণী কাছ থেকে দেখার সুযোগ।

৩। রিসোর্ট ও বিনোদন কেন্দ্র

  • নুহাশ পল্লী 
  • ছুটি রিসোর্ট 
  • সারাহ রিসোর্ট 
  • ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট 
  • পরিবার, বন্ধু বা কর্পোরেট পিকনিকের জন্য অসংখ্য রিসোর্ট সুবিধা।

৪। ইতিহাস ও ঐতিহ্য

  • ভাওয়াল রাজবাড়ী 
  • একডালা দুর্গ 
  • জমিদার আমলের ইতিহাস ও প্রাচীন স্থাপত্য দেখার সুযোগ।

৫। নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

  • বেলাই বিল 
  • লেক, খাল ও গ্রামীণ সবুজ পরিবেশ 
  • গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা

গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা

১। ভিড় ও যানজট

  • ঢাকা-গাজীপুর রুটে প্রায়ই প্রচণ্ড যানজট থাকে 
  • ছুটির দিনে পর্যটন স্থানে অতিরিক্ত ভিড় হয় 

২। আবহাওয়ার প্রভাব

  • বর্ষাকালে বেলাই বিল ও বনাঞ্চলে চলাচল কঠিন হয়ে যায় 
  • কিছু রিসোর্ট এলাকায় কাদা ও জলাবদ্ধতা দেখা দেয় 

৩। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা

  • কিছু প্রাকৃতিক স্থানে উন্নত টয়লেট ও বিশ্রামাগার নেই 
  • সাইনবোর্ড ও গাইডের অভাব রয়েছে কিছু এলাকায় 

৪। ব্যয় ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ

  • জনপ্রিয় রিসোর্টগুলোতে ছুটির দিনে দাম বেশি হয় 
  • আগাম বুকিং না থাকলে সমস্যা হতে পারে 

৫। পরিবেশগত চাপ

  • অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে কিছু স্থানে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে 
  • বন্যপ্রাণী ও বনাঞ্চলে প্রভাব পড়ছে 

গাজীপুর জেলায় ট্রাভেল প্ল্যান

নিচের দর্শনীয় স্থানগুলোকে ভৌগোলিক অবস্থান ও যাতায়াতের সুবিধা অনুযায়ী সাজিয়ে সর্বনিম্ন ৩ দিনে ভ্রমণ করা যায়। একই উপজেলার স্থানগুলো একই দিনে রাখা হয়েছে, ফলে যাতায়াতের সময় কম লাগবে এবং ভ্রমণ হবে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

১ম দিনঃ গাজীপুর সদর - জয়দেবপুর - শ্রীপুর রুট

ভ্রমণ স্থানসমূহ

  • ১। ভাওয়াল রাজবাড়ী (ভাওয়াল রাজ প্রাসাদ)
  • ২। ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
  • ৩। একডালা দুর্গ
  • ৪। বলিয়াদী জমিদার বাড়ী
  • ৫। সফিপুর আনসার একাডেমী
  • ৬। নাগরী গীর্জা
  • ৭। নাগরী সেন্ট নিকোলাস চার্চ
  • ৮। নুহাশ পল্লী

গুগল ম্যাপ (রুট)

২য় দিনঃ শ্রীপুর - কালীগঞ্জ - সদর রুট

ভ্রমণ স্থানসমূহ

  • ১। বক্তারপুর ঈশা খাঁর মাজার
  • ২। শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি
  • ৩। শাহ আউলিয়ার মাজার
  • ৪। শাহ কারফরমা আউলিয়ার মাজার ও দীঘি
  • ৫। শাহ পালোয়ান গাজীর মাজার
  • ৬। হযরত নবী শাহ (রঃ) এর দরগা
  • ৭। বেলাই বিল
  • ৮। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (ন্যাশনাল পার্ক)

গুগল ম্যাপ (রুট)

৩য় দিনঃ কালিয়াকৈর রুট

ভ্রমণ স্থানসমূহ

  • ১। বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
  • ২। ধনপুর বনভূমি
  • ৩। জল ও জঙ্গলের কাব্য
  • ৪। মখশবিল (কালিয়াকৈর)
  • ৫। সাটুরিয়া মখশবিল (কালিয়াকৈর)
  • ৬। অঙ্গনা রিসোর্ট
  • ৭। আনন্দ পার্ক রিসোর্ট
  • ৮। আরশিনগর হলিডে রিসোর্ট
  • ৯। ছুটি রিসোর্ট
  • ১০। জলেশ্বরী রিসোর্ট
  • ১১। ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট
  • ১২। দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ
  • ১৩। নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট
  • ১৪। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট
  • ১৫। রিভেরি হলিডে রিসোর্ট
  • ১৬। সাহেব বাড়ি রিসোর্ট
  • ১৭। সারাহ রিসোর্ট
  • ১৮। সীগাল রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট
  • ১৯। সোহাগ পল্লী
  • ২০। স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট
  • ২১। আপন ভুবন পিকনিক এন্ড শুটিং স্পট

গুগল ম্যাপ (রুট)

https://www.google.com/maps/dir/বঙ্গবন্ধু+সাফারি+পার্ক/ধনপুর+বনভূমি/জল+ও+জঙ্গলের+কাব্য/মখশবিল/সাটুরিয়া+মখশবিল/অঙ্গনা+রিসোর্ট/আনন্দ+পার্ক+রিসোর্ট/আরশিনগর+হলিডে+রিসোর্ট/ছুটি+রিসোর্ট/জলেশ্বরী+রিসোর্ট/ড্রিম+স্কয়ার+রিসোর্ট/দ্যা+বেস+ক্যাম্প+বাংলাদেশ/নক্ষত্রবাড়ি+রিসোর্ট/রাজেন্দ্র+ইকো+রিসোর্ট/রিভেরি+হলিডে+রিসোর্ট/সাহেব+বাড়ি+রিসোর্ট/সারাহ+রিসোর্ট/সীগাল+রিসোর্ট/সোহাগ+পল্লী/স্প্রিং+ভ্যালি+রিসোর্ট/আপন+ভুবন+পিকনিক+স্পট

গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ টিপস

১। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরতে শীতকাল (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি) সবচেয়ে আরামদায়ক।

২। সাফারি পার্ক ও বনাঞ্চলে নির্ধারিত পথ অনুসরণ করুন এবং বন্যপ্রাণীকে খাবার দেবেন না বা বিরক্ত করবেন না।

৩। গাজীপুরের জনপ্রিয় রিসোর্টগুলোতে সপ্তাহান্ত ও সরকারি ছুটির দিনে ভিড় বেশি থাকে। আগে থেকেই বুকিং করে গেলে সুবিধা হবে।

৪। মখশবিল, বেলাই বিল ও অন্যান্য জলাভূমি ভ্রমণের জন্য বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময় (জুলাই-অক্টোবর) সবচেয়ে মনোরম।

৫। ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানে শালীন পোশাক পরিধান করুন এবং স্থানীয় নিয়ম-কানুন মেনে চলুন।

৬। ব্যক্তিগত গাড়ি বা রিজার্ভ মাইক্রোবাস ব্যবহার করলে তিন দিনের এই রুট সহজে সম্পন্ন করা যায় এবং একই দিনে কাছাকাছি একাধিক স্থান ঘোরা সম্ভব।

শেষকথাঃ গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান লোকেশনসহ ভ্রমন গাইড 

গাজীপুর জেলার ৩৮টি সেরা দর্শনীয় স্থান সব মিলিয়ে গাজীপুর জেলা প্রকৃতি, ইতিহাস ও আধুনিক বিনোদনের এক অসাধারণ সমন্বয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের সবুজ বন, বেলাই বিলের শান্ত জলরাশি, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী অভিজ্ঞতা কিংবা বিভিন্ন রিসোর্টের আরামদায়ক পরিবেশ সব মিলিয়ে এটি একটি আদর্শ ভ্রমণস্থান।
গাজীপুর হলো প্রকৃতি, অ্যাডভেঞ্চার, রিসোর্ট ও ইতিহাসের এক সমন্বিত ভ্রমণ গন্তব্য। তবে সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া ভ্রমণ করলে ভিড় ও পরিবহন সমস্যায় পড়তে হতে পারে। আগে থেকে পরিকল্পনা করলে এটি হতে পারে একটি অসাধারণ উইকএন্ড ট্যুর। তবে ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করতে হলে আগাম পরিকল্পনা, সঠিক সময় নির্বাচন এবং ভিড় এড়িয়ে চলার প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। সঠিকভাবে পরিকল্পনা করলে গাজীপুর ভ্রমণ হতে পারে একটি স্মরণীয় ও মনোরম অভিজ্ঞতা, যা আপনাকে বারবার এখানে ফিরে আসতে উৎসাহিত করবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

স্মার্ট আইটি এরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Abir Hossain
Md. Salim Reza
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও স্মার্ট আইটিসেবার এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ফ্রিল্যান্সিং গাইড, লাইফস্টাইল, প্রবাস জীবন ও ভ্রমণ বিষয়ক, টেকনোলজি ইত্যাদি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। নিজেকে একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে গড়ে তোলাই তিনার লক্ষ্য।